বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ন

সিজদায় নবীজির (সা.) অনন্য ২ দোয়া

নফল নামাজের সিজদায় নবীজি (সা.) থেকে বর্ণিত এ দুটি অনন্য দোয়া পড়তে পারেন:

১

سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي

উচ্চারণ: সুবহানাকা আল্লাহুম্মা রাব্বানা ওয়া বিহামদিকা আল্লাহুম্মাগফিরলি।

অর্থ: হে আমাদের প্রভু, আল্লাহ! আপনার পবিত্রতা বর্ণনা করছি আর আপনার প্রশংসা করছি। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন। (সহিহ বুখারি)

২

سُبُّوْحٌ قُدُّوْسٌ رَبُّ الْمَلَائِكَةِ وَالرُّوْحِ

উচ্চারণ: সুব্বুহুন কুদ্দুসুন রাব্বুল মালায়িকাতি ওয়ার-রুহ।

অর্থ: আল্লাহ তাআলা পবিত্র, ত্রুটিমুক্ত; সব ফেরেশতা ও জিবরাইলের রব। (সহিহ মুসলিম)

ফরজ নামাজের সিজদায় হাদিসে বর্ণিত এ দোয়াগুলো পড়া যাবে?

ফরজ নামাজের সিজদায় নির্ধারিত তাসবিহ পড়াই সুন্নত। ফরজ নামাজের সিজদায় শুধু নির্ধারিত তাসবিহ পড়া উচিত। নিজের ভাষায় দোয়া করা বা অন্যান্য দোয়া পড়া থেকে বিরত থাকা উচিত।

নফল নামাজের সিজদায় এ দোয়াগুলো পড়া যেতে পারে। এ দোয়াগুলো আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নফল নামাজের সিজদায় পড়তেন।

ফরজ নামাজে যেমন নফল নামাজের সিজদায় বা অন্য কোনো অংশে নিজের মাতৃভাষায় বা অন্য যে কোনো ভাষায় মানুষের রচিত দোয়া করা যাবে না। কোরআন হাদিসে বর্ণিত কোনো দোয়ার অনুবাদও নামাজে পড়া যাবে না। আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মানুষের কথা নামাজের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করতে নিষেধ করেছেন। রাসুল (সা.) বলেছেন, নামাজ মানুষের কথাবার্তা বলার ক্ষেত্র নয়। এটা শুধু তাসবিহ, তাকবির ও কোরআন তিলাওয়াতের জন্য সুনির্দিষ্ট। (সহিহ মুসলিম)

নামাজের যে কোনো অংশে দুনিয়াবি দোয়া অর্থাৎ মানুষের কাছেও পাওয়া যায় এমন কিছু প্রার্থনা করলে নামাজ ভেঙে যাবে। যেমন কেউ দোয়া করলো হে আল্লাহ আমাকে এক লক্ষ টাকা পাইয়ে দিন, চাকুরি বা বিয়ের ব্যবস্থা করে দিন ইত্যাদি।

ইসলামে নফল নামাজ বলতে এমন নামাজ বোঝায় যা আদায় করলে সওয়াব রয়েছে কিন্তু আদায় না করলে গুনাহ নেই। প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্তের ১৭ রাকাত ফরজ নামাজ, তিন রাকাত ওয়াজিব বেতর নামাজ ছাড়া অন্যান্য নামাজ নফল গণ্য হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved bijoykantho© 2025