রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন
মেহেরপুরের গাংনীতে পড়া না পারায় বাঁশের কঞ্চি দিয়ে পিটিয়ে শোয়েব আলী (১৩) নামের এক মাদরাসাছাত্রের পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ভোরে গাংনী পৌরসভার অধীন পশ্চিম মালসাদহ ফজলুল উলুম কওমি মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে। আহত শোয়েব আলী পশ্চিম মালসাদহ গ্রামের আব্দুল গণির ছেলে।
আহত শিক্ষার্থী জানায়, পড়া না পারায় মাদরাসার শিক্ষক দ্বীন ইসলাম তাকে বাঁশের কঞ্চি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। পরে সে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানায়।
শোয়েব আলীর বাবা আব্দুল গণি বলেন, ‘ছেলের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। অন্য জায়গায় আঘাতের চিহ্ন বুঝতে পারলেও পায়ের আঘাতের বিষয়টি বুঝতে পারিনি। পরে ছেলে হাঁটতে না পারায় আজ তাকে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। সেখানে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পায়ের গোড়ালির হাড় ফেটে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।’
গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. সামিয়া সুলতানা জানান, শিক্ষার্থীর পায়ের এক্স-রে করার পর বোঝা গেছে, পায়ের নিচের অংশের হাড় ফেটে গেছে। চিকিৎসা দিয়ে তাকে বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে পশ্চিম মালসাদহ ফজলুল উলুম কওমি মাদরাসার শিক্ষকদের সঙ্গে ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তারা কথা বলতে রাজি হননি।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছি। খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’