বৃহস্পতিবার, ০৯ Jul ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে বিদেশি পিস্তল-ভারতীয় সিরাপ জব্দ চাচাতো ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল বোনেরও রাঙ্গামাটির সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা কুমিল্লায় কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় সিএনজি চালকসহ নিহত ২ ৭৫ লাখ আমানতকারীর আমানত সুদসহ ফেরত দেওয়া হবে, তবে সময় লাগবে: সংসদে অর্থমন্ত্রী ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে রাজধানীর সব স্কুলে ‘ক্লিন স্কুল টিম’ গঠনের সিদ্ধান্ত উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণকে সমান গুরুত্ব দিয়ে দেশ গড়া সরকারের লক্ষ্য:প্রধানমন্ত্রী ঢল ও পাহাড় ধসে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ, আশ্রয়কেন্দ্রে দুই শতাধিক পরিবার ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে বসবাসকারীদের সরাতে মাঠে নেমেছে প্রশাসন ভারী বৃষ্টি অব্যাহত, কক্সবাজারে পাহাড়ধসে নিহত বেড়ে ১৯

ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে বসবাসকারীদের সরাতে মাঠে নেমেছে প্রশাসন

টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে কক্সবাজারে পাহাড় ধসের ঝুঁকি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। ইতোমধ্যে পাহাড় ধসে স্থানীয় পাঁচজন এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রাণহানি এড়াতে ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে মাঠে নেমেছে জেলা প্রশাসন।

বুধবার (৮ জুলাই) বিকেল থেকে কক্সবাজার শহরের কলাতলীর হাজীপাড়াসহ বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাফিস ইনতেসার নাফির। এ সময় পাহাড়ে বসবাসকারীদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যেতে অনুরোধ করা হয়।

এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাফিস বলেন, টানা কয়েকদিন ধরে মুষলধারে এবং থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টির তোড়ে অনেক স্থানে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটছে। কক্সবাজার শহরের কলাতলীর হাজীপাড়ায় বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে থাকা বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে দুপুরের পর থেকে বিশেষ উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করা হয়। ঝুঁকিতে থাকা লোকজনকে দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার অনুরোধ করলেও অনেকে শুনতে চাচ্ছেন না। বুঝিয়ে ওনাদের সরানো হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, কক্সবাজারের অন্য উপজেলাগুলোতেও পাহাড়ের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে থাকা বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যেতে প্রশাসন ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মাইকিং করা হচ্ছে। যে কোনো দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলার সব আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়ায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ইউএনও এবং প্রশাসনের অন্য কর্মকর্তারা মাঠে রয়েছেন। সঙ্গে রয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও স্বেচ্ছাসেবক দল।

তিনি বলেন, বর্ষায় পাহাড়ধস হয়, সেটা মাথায় রেখেই রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সব ইনচার্জদের নিয়ে আমরা প্রস্তুতিমূলক সভা করেছিলাম। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের সর্বোচ্চ প্রস্তুত রাখার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় উদ্ধার সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা হয়। ইতোমধ্যে স্থানীয় ও রোহিঙ্গা মিলে প্রায় ১৯ জনের মৃত্যুর খবর এসেছে। এ পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে সচেতনতার বিকল্প নেই। যে কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনায় আমরা প্রস্তুত।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved bijoykantho© 2025