প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, নাসিরউদ্দিন সাথী ও তৌহিদ আফ্রিদির প্রতারণার হাতেখড়ি পারিবারিকভাবেই। এক সময় নুন আনতে পান্তা ফুরোনো সাথীর অর্থবিত্তের পুরোটাই জোর জবরদস্তি আর দুই নম্বরি করে কামানো।
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৫:৩৫ অপরাহ্ন
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, নাসিরউদ্দিন সাথী ও তৌহিদ আফ্রিদির প্রতারণার হাতেখড়ি পারিবারিকভাবেই। এক সময় নুন আনতে পান্তা ফুরোনো সাথীর অর্থবিত্তের পুরোটাই জোর জবরদস্তি আর দুই নম্বরি করে কামানো।
বিলকিস বেগম বলেন, ‘আওয়ামী লীগ থাকতে ক্ষমতা দেখাইয়া আমাকে এরেস্ট করাইছে। দুই দিন আমি জেলেও ছিলাম। অন্যায়ভাবে একটা মিডিয়া নিয়া প্রতারণা করছে আমার সঙ্গে। আমাকে মামলা দিয়ে হয়রানি করে দূরে রাখছে। ’
প্রতিবেদনটিতে আরো বলা হয়েছে, পকেটে ১০ টাকা না থাকা সাথী আজ হাজার কোটি টাকার মালিক। প্রতারণার মাধ্যমে দখল করা এক মাই টিভির ওপর ভর করে সাথীর পরিবারের সবার ঘরে লাল-নীল বাতি জ্বলছে আর অন্ধকার হয়েছে অনেকের ঘর। এলাকায় বিভিন্ন মানুষের বাড়িঘর দখল করে মাই টিভির সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিয়েছেন নাসির উদ্দিন সাথী।
আলী হোসেন হাওলাদার নামে এক ভুক্তভোগী নাসির উদ্দিন সাথীর নানা অপকর্মের তথ্য তুলে ধরেন। তার জায়গাও সাথী দখলে নিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। প্রতিবেদনে বলা হয়, বিলকিস বেগমের কাছ থেকে দখল করা মাই টিভির বর্তমান যে ভবনটি রয়েছে, সেটিও দখল করা। ভুক্তভোগী ব্যক্তি আইনজীবী হবার পরেও সাথীর সঙ্গে পেরে ওঠেননি। কারণ টাকা আর সন্ত্রাসী বাহিনীর দাপটে দিব্বি জবর দখল করে রেখেছেন ভবনটি।
ভুক্তভোগী আইনজীবী কিবরিয়া বলেন, ২০১২ সালের শেষ দিকে নাসির উদ্দিন সাথী লোকজন নিয়ে আইসা আমাদের বলে এটা তার জায়গা। এই জায়গা পাওয়ার অব এটর্নি করছে। এই জায়গার মালিক সে।
তিনি আরো বলেন, ‘২০১২ সালের ৬ নভেম্বরে ৫২২ দাগে ওখানে সে জায়গাটা দখল করতে গিয়েছিল। দখল করতে পারে নাই। সে একটা পাওয়ার অব এটর্নি করছে। রামপুরা থানায় একটা জিডি করছে মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে। এরপরে সে পরবর্তী মাসে এসে আমাদের বাড়ির জায়গাটা দখল করছে। ’
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, প্রশাসনের নাকের ডগায় এরকম একটি ভবন দখল করে টিভি স্টেশন দিয়ে বসলেও কেন সরকারের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই, তা নিয়েও রয়েছে অনেক প্রশ্ন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ক্রাইম এডিশন টিম মাই টিভির দখল করা ভবনের ভিডিও ধারণ করতে গেলে সাথীর সন্ত্রাসী বাহিনী তাদের জোর করে ভবনের ভেতরে নিয়ে আটকে রাখার চেষ্টা করে।