রবিবার, ২৬ Jul ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
মুন্সিগঞ্জে পৃথক দুর্ঘটনায় পানিতে ডুবে প্রাণ গেল দুইজনের নেতানিয়াহুর যুক্তরাষ্ট্র সফরের আগে ইরানের সতর্কবার্তা বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সম্পর্ক জোরদারে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে আছড়ে পড়লো বাস, প্রাণ গেল পথচারীর জিয়া উদ্যানে শ্রদ্ধা শেষে রাষ্ট্রপতি চলে যেতেই নেতাকর্মীদের হাতাহাতি চট্টগ্রামে বাবা-মাকে হত্যার দায়ে মাদকাসক্ত ছেলে গ্রেপ্তার ঠাকুরগাঁওয়ে ৫৯০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার সাবেক ২ রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ চা শিল্পের বিকাশে সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে: প্রধানমন্ত্রী ১৬ বছরে বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়েছে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার: আইনমন্ত্রী

চট্টগ্রামে বাবা-মাকে হত্যার দায়ে মাদকাসক্ত ছেলে গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব গুজরা এলাকায় এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে মা-বাবা নিহত হওয়ার ঘটনায় ছেলে রিমন দাশ গুপ্তকে (৪২) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাতে আনোয়ারা থানায় নিহত স্বপন দাশ গুপ্তের ভাই বাদী হয়ে মামলা করেন।

আনোয়ারা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মাহমুদুল হাসান জানান, ছুরিকাঘাতে মা-বাবা নিহত হওয়ার ঘটনায় ছেলে রিমন দাশ গুপ্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার বাদী হয়েছেন নিহত স্বপন দাশ গুপ্তের ভাই। আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে শনিবার বেলা ১২টার দিকে হাইলধর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব গুজরা এলাকার চৈতন্য মহাজন বাড়িতে মৃত রেবতি দাশ গুপ্তের ছেলে স্বপন দাশ গুপ্ত (৬৫) এবং তার স্ত্রী কল্পনা দাশ (৫৫)-কে হত্যা করে ছেলে রিমন দাশ গুপ্ত।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, রিমন দাশ গুপ্ত দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিল। তাকে কয়েকবার মাদক নিরাময় কেন্দ্রেও রাখা হয়েছিল। শনিবার সকালে সে মা-বাবাকে নিয়ে বাইরে যায়। পরে সকাল পৌনে ১২টার দিকে তারা বাড়িতে ফিরে আসেন।

কিছুক্ষণ পর হঠাৎ রিমন ধারালো অস্ত্র দিয়ে মায়ের ওপর হামলা চালায়। মাকে বাঁচাতে বাবা এগিয়ে এলে তাকেও এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে।

স্থানীয়দের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন। তার মা ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত বাবাকে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved bijoykantho© 2025