শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
পূর্বাচলে ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই বন্ধু নিহত আসামে ১১০০ মুসলিম পরিবারের বাড়িঘর ও ১০টি মসজিদ উচ্ছেদ ভারতের প্রধান ব্যাংক স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ায় সাইবার হামলা ইতালিতে একের পর এক ১২টি ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারি পিএসসি সদস্যদের চায়ের দাওয়াত দিয়ে পদত্যাগে বাধ্য করা হচ্ছে: হামিদুর রহমান আযাদ আইনশৃঙ্খলার অবনতি ও দ্রব‍্যমূল্য বৃদ্ধিতে জনগণ অসহায়বোধ করছে:নাহিদ ইসলাম বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান: রাষ্ট্রপতি সিরাজগঞ্জে আগুনে পুড়ল ৮ দোকান, ক্ষতি অর্ধকোটি টাকা বোরহানউদ্দিনে পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল দুই শিশুর হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু

নভেম্বরেই গণভোট চেয়ে ইসির কাছে প্রস্তাব জামায়াতের

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে অর্থাৎ নভেম্বর মাসে গণভোট চায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এ বিষয়ে দলটি নির্বাচন কমিশনে একটি লিখিত প্রস্তাবও দিয়েছে।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) দুপুর ১২টার পর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে বসে জামায়াতের একটি প্রতিনিধি দল। বৈঠকে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিব বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহেরের নেতৃত্বে এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন সরকার ও মতিউর রহমান আকন্দ বৈঠকে অংশ নেন।

বৈঠক শেষে আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেন, আমরা বলেছি গণভোট আলাদা হতে হবে। কারণ দুটি বিষয়। একটা হচ্ছে, আমাদের কতগুলো রিফর্মস আছে। এটা ইলেকশন যখন হোক ইলেকশন যেভাবে হোক তার বাইরে এটা জাতির জন্য একটা স্থায়ী একটা রিফর্মসের বিষয়। তো যেহেতু এটা একটা আলাদা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আলাদা গণভোটের মাধ্যমেই এটার ওপর মত গ্রহণ করা উচিত। এটা আমরা জোর দিয়েই বলেছি। এক্ষেত্রে যে প্রস্তুতি দরকার আমরা রিকোয়েস্ট করেছি যদি ন্যাশনালি সিদ্ধান্তটি হয় যেটা আলাদাভাবে হবে যেটা আমরা চাচ্ছি।

জামায়াত নভেম্বরে গণভোট চায়। আমরা অনেকগুলো দল চাচ্ছি যেটি ইন্ডিপেন্ডেন্টলি হোক কারণ হচ্ছে একসঙ্গে যদি হয় কয়েকটি সমস্যা হতে পারে। প্রথম সমস্যা হচ্ছে প্রত্যেকটি দল তখন তার জাতীয় নির্বাচনের প্রতীকে বিজয়ের জন্যই ভেরি সিরিয়াস থাকবে এবং রিফর্মস আছে। সবার মাথা কাজ করবে দুই ইলেকশন যদি কোনো জায়গায় দখল হয়ে যায় তাহলে রিফর্মসের বেলা দখল হয়ে যাবে একটার সঙ্গে আরেকটার ভাগ্য অন্যভাবে জড়িত হয়ে যাবে। কোনো কারণে ইলেকশন যদি কোনো জায়গায় স্থগিত হয়ে যায় তাহলে এটা স্থগিত হয়ে যাবে মানে কোনো রেজাল্ট আসবে না। কিন্তু দুটি একেবারে ভিন্ন ন্যাচার একটা হচ্ছে জাতীয় নির্বাচন জনপ্রতিনিধি করার জন্য আর এজন্য সবার জন্যই একটা রিফর্ম জরুরি।

তিনি আরও বলেন, যেহেতু ন্যাচার ভিন্ন আমরা স্পষ্ট সরকারকে বলেছি, কমিশনকে বলেছি। ইলেকশন কমিশনে আজ আমরা বলে আসছি যে এটা আলাদা করার জন্য।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved bijoykantho© 2025