বুধবার, ২৯ Jul ২০২৬, ১১:১২ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
মুন্সিগঞ্জে পৃথক দুর্ঘটনায় পানিতে ডুবে প্রাণ গেল দুইজনের নেতানিয়াহুর যুক্তরাষ্ট্র সফরের আগে ইরানের সতর্কবার্তা বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সম্পর্ক জোরদারে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে আছড়ে পড়লো বাস, প্রাণ গেল পথচারীর জিয়া উদ্যানে শ্রদ্ধা শেষে রাষ্ট্রপতি চলে যেতেই নেতাকর্মীদের হাতাহাতি চট্টগ্রামে বাবা-মাকে হত্যার দায়ে মাদকাসক্ত ছেলে গ্রেপ্তার ঠাকুরগাঁওয়ে ৫৯০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার সাবেক ২ রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ চা শিল্পের বিকাশে সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে: প্রধানমন্ত্রী ১৬ বছরে বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়েছে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার: আইনমন্ত্রী

৩০০ আসনের ফল বাতিল করতে পারবে ইসি

নির্বাচন কমিশন (ইসি) চাইলে ৩০০ আসনের ফল বাতিল করতে পারবে বলে জানিয়েছেন ইসি আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ।

সোমবার (১১ আগস্ট) নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে এ তথ্য জানান ইসি সানাউল্লাহ।

এছাড়া আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে থাকছে না ইভিএম। তবে ‘না’ ভোটের বিধান ফিরিয়ে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসি সানাউল্লাহ।

এদিন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংস্কারের একগুচ্ছ সুপারিশ চূড়ান্ত করতে মুলতবি বৈঠকে বসে নির্বাচন কমিশন। বৈঠকে চার নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ ও ইসি সচিব আখতার আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরপিও সংশোধনের খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে জানিয়ে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা হিসেবে স্বশন্ত্র বাহিনীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন চাইলে ৩০০ আসনের ফলাফল বাতিল করতে পারবে। ‘না’ ভোটের বিধান আনা হয়েছে। যেখানে একজন প্রার্থী থাকবে। বিনাভোটে কেউ নির্বাচিত হতে পারবেন না।

তিনি বলেন, ফলাফলে সমান ভোট পেলে লটারির মাধ্যমে নির্ধারণ হবে না। পুনরায় ভোট হবে। জোটগতভাবে নির্বাচন করলে দলগুলোকে নিজ নিজ দলের প্রতীকে নির্বাচন করবে। হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দিলে নির্বাচনের পরও তদন্ত করে এমপি পদ বাতিল করতে পারবে ।

২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশের ইতিহাসে ভোটাররা প্রথমবারের মতো ‘না’ ভোট প্রয়োগ করেছিল। ওই সময় জারি করা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ধারা ৩১(৫)(বিবি)-তে এ বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এ বিধান অনুযায়ী ব্যালট পেপারের সবশেষ প্রার্থীর স্থানে লেখা থাকে ‘ওপরের কাউকে নয়’ এবং ভোটারদের সহজ পরিচিতির জন্য মার্কা রাখা হয় ‘ক্রস’ (ঢ)। তখন সারাদেশে মোট প্রদত্ত ৬ কোটি ৯৭ লাখ ৫৯ হাজার ২১০ ভোটের মধ্যে ৩ লাখ ৮২ হাজার ৪৩৭টি ‘না ভোট’ পড়েছিল।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved bijoykantho© 2025