শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
ময়মনসিংহে পুকুরে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু দরজা লাগিয়ে ঘরে আগুন দিলেন জামাতা, শাশুড়িসহ দগ্ধ স্ত্রী-সন্তান পড়া না পারায় পিটিয়ে মাদরাসাছাত্রের পা ভেঙে দিলেন শিক্ষক আইফোনই হলো কাল, ১০ মাসের সন্তানকে দেখতে বাড়ি ফেরা হলো না হাফিজুরের আপনারা বলে দেন, বিএনপির এমপি-মন্ত্রীর সুপারিশ ছাড়া চাকরি হবে না:সাদিক কায়েম সাংগঠনিক পদক্ষেপ যথেষ্ট না, দেশবাসী দৃশ্যমান আইনি পদক্ষেপ দেখতে চায়: বিরোধীদলীয় নেতা এমপি পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি মরক্কোর ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হলেন ফাতিমা জাহরা ঢাকায় বিএনপির ৩ কমিটি বিলুপ্ত, বহিষ্কার ১৪ জন অক্টোবরে অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম

আইফোনই হলো কাল, ১০ মাসের সন্তানকে দেখতে বাড়ি ফেরা হলো না হাফিজুরের

রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় ট্রেনের ছাদ থেকে ফেলে দেওয়া যুবকের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। নিহত যুবকের নাম হাফিজুর রহমান (৩৫)।

পরিবারের দাবি, ছিনতাইকারীরা তার কাছে থাকা টাকা ও আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে ধস্তাধস্তির মধ্যে তাকে চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলে দেওয়া হয়। গুরুতর আহতাবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে এসে হাফিজুরের পরিচয় শনাক্ত করেন তার ভাই হোসাইন শেখ।

হোসাইন শেখ বলেন, আমার ভাই গাজীপুরের একটি সালনা রিসোর্ট কোম্পানিতে চাকরি করতেন। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) অফিস থেকে দুই দিনের ছুটি নিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে গাজীপুরের জয়দেবপুর থেকে কমলাপুরগামী ট্রেনে ওঠেন তিনি। ট্রেনের ভেতরে সিট না পেয়ে ছাদে ওঠেন হাফিজুর।

পরে কয়েকজন ছিনতাইকারী তাকে লক্ষ্য করে কাছে গিয়ে টাকা-পয়সা ও একটি আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। হাফিজুর তা দিতে না চাইলে জোর করে নেওয়ার সময় ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে ছিনতাইকারীরা তাকে চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলে দেয়।

এতে গুরুতর আহত হন হাফিজুর। পরে পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

তিনি আরও বলেন, আমার ভাইয়ের ১০ মাসের একটি সন্তান রয়েছে। মূলত ওই সন্তানকে দেখার জন্যই বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে গাজীপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ট্রেনে উঠেছিলেন। কমলাপুর থেকে টিকিট নিয়ে এরপর বাড়িতে রওয়ানা দেওয়ার কথা ছিল তার। এই আইফোনই কাল হলো।

হাফিজুর রহমান বাগেরহাটের চিতলমারী থানার চিঙ্গরী গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে। বর্তমানে তিনি গাজীপুর এলাকায় থাকতেন। চার ভাই-বোনের মধ্যে হাফিজুর ছিলেন দ্বিতীয়। তার ১০ মাস বয়সী একটি সন্তান রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved bijoykantho© 2025