সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
ইরান-সৌদির যুদ্ধ বাঁধাতে ইসরায়েলের উসকানির পরিকল্পনা ব্যর্থ লেবানন সীমান্তে ব্যাপক সংঘর্ষ, ড্রোন হামলায় ইসরায়েলি সেনা নিহত বাংলাদেশের মানুষ কাঁটাতার ভয় পায় না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা যাত্রাবাড়ীতে রিকশার চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে প্রাণ গেলো পোশাকশ্রমিকের হাদি হত্যার বিচার না হলে জুলাইয়ের চেতনা ব্যর্থ হবে: মাসুমা হাদি অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে সরকার জুলাই সনদকে জনগণ বৈধতা দিলেও সংকট তৈরি করেছে বিএনপি: কর্নেল অলি গণভোটের রায় অস্বীকার করলে নতুন সংকট তৈরি হবে: গোলাম পরওয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ শার্শায় ট্রাক-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে ২ জন নিহত

ইরান-সৌদির যুদ্ধ বাঁধাতে ইসরায়েলের উসকানির পরিকল্পনা ব্যর্থ

সৌদি আরব কোনোভাবেই ইসরায়েলের এমন পরিকল্পনার অংশ হতে চায়নি যার লক্ষ্য ছিল ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যে যুদ্ধ উসকে দেওয়া। সৌদি আরবের রাজপরিবারের শীর্ষ সদস্য তুর্কি আল-ফয়সাল এমন কথা বলেছেন।

সৌদি মালিকানাধীন পত্রিকা আরব নিউজে লেখা এক নিবন্ধে এই মন্তব্য করেছেন তুর্কি আল-ফয়সাল। তিনি দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় সৌদি আরবের গোয়েন্দা সংস্থার নেতৃত্বে ছিলেন।

তুর্কি আল-ফয়সাল সতর্ক করে বলেন, ইসরায়েলের যুদ্ধ উসকে দেওয়ার পরিকল্পনা সফল হলে পুরো অঞ্চল ধ্বংসযজ্ঞে নিমজ্জিত হতো এবং হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটত। এতে ইসরায়েলই আঞ্চলিক প্রভাব আরও বৃদ্ধি পেত।

তিনি বলেন, রিয়াদের নেতৃত্ব দেওয়া ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান যুদ্ধ এড়াতে এবং কূটনৈতিকভাবে সংকট সমাধানে কাজ করেছে। যাতে আরও উত্তেজনা বৃদ্ধি না পায় সে লক্ষ্যে সৌদি আরব বর্তমানে পাকিস্তানের সঙ্গে কাজ করছে।

তার ভাষায়, ইরান ও অন্যরা যখন সৌদি আরবকে ধ্বংসযজ্ঞের আগুনে টেনে নেওয়ার চেষ্টা করছিল তখন আমাদের নেতৃত্ব নাগরিকদের জীবন ও সম্পদ রক্ষার জন্য প্রতিবেশীর কারণে সৃষ্ট কষ্ট সহ্য করার সিদ্ধান্ত নেয়। সৌদি আরব চাইলে ইরানের স্থাপনা ও স্বার্থে পাল্টা হামলা চালাতে পারত কিন্তু এতে দেশটির তেল স্থাপনা ও পানি লবণ মুক্ত করণ প্ল্যান্ট আরও ক্ষতিগ্রস্ত হতো।

তিনি বলেন, যুদ্ধের পক্ষে যারা কথা বলছে তারা হয়ত বুঝতেই পারছে না যে তাদের পায়ের নিচ থেকে কার্পেট সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

এদিকে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী সংঘাত শুরুর পর ইরান প্রতিশোধ হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটিগুলো থাকা সব দেশকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়, যার মধ্যে সৌদি আরবও রয়েছে।

ইরানের কার্যত হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণের কারণে বৈশ্বিক তেল সরবরাহেও বড় প্রভাব পড়েছে। সৌদি আরবের পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইনে হামলার ফলে প্রতিদিন প্রায় ৭ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন কমে গেছে যা সৌদি আরবের মোট রপ্তানির প্রায় ১০ শতাংশ।

এছাড়া জুবাইল, রাস তানুরা, ইয়ানবু এবং রিয়াদের মতো গুরুত্বপূর্ণ তেল ও শোধনাগার স্থাপনাতেও হামলা হয়েছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে পরিশোধিত তেল সরবরাহে সরাসরি প্রভাব পড়ছে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved bijoykantho© 2025