রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ন
ইরানের সামরিক কর্মকর্তারা একের পর এক কঠোর বার্তা দিচ্ছেন। সাম্প্রতিক সময়ে দেশটির উপকূলীয় এলাকা ও তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার পর ইরান সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলে তারা দাবি করেছেন।
কর্মকর্তাদের বক্তব্যের মূল সুর হচ্ছে, কৌশলগত ধৈর্যের সময় শেষ এবং এখন থেকে ইরানের স্বার্থ, ভূখণ্ড বা তেলবাহী জাহাজে হামলার পরিকল্পনা করলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে কঠিন পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।
ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র আরও বলেন, শত্রুপক্ষ যদি ইরানের ওপর হামলা চালায়, তাহলে তারা নতুন অস্ত্র, নতুন যুদ্ধ কৌশল এবং নতুন যুদ্ধক্ষেত্রের চমক দেখতে পাবে।
তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে অনুসরণ করে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে, তাদের জন্য হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল কঠিন হয়ে উঠবে।
এদিকে ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনায় অগ্রগতি না হলে অপারেশন প্রজেক্ট ফ্রিডম আবারও শুরু করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। এবারে অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম প্লাস’। এই অভিযানের লক্ষ্য হবে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করা। শনিবার (৯ মে) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই মন্তব্য করেছেন।
হোয়াইট হাউসের সামনে সাউথ লনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, যদি কোনো অগ্রগতি না হয়, তাহলে আমরা আবার প্রজেক্ট ফ্রিডমে ফিরে যেতে পারি। তবে সেটি হবে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম প্লাস’।
যুক্তরাষ্ট্র গত সোমবার ৪ মে অপারেশন প্রজেক্ট ফ্রিডম শুরু করেছিল। তবে পরদিনই ট্রাম্প সাময়িকভাবে এই অভিযান স্থগিতের ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দ্য জেরুজালেম পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের আকাশসীমা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা এবং প্রিন্স সালমানের চাপেই ওই অভিযানে ইস্তফা দিতে বাধ্য হয়েছিলেন ট্রাম্প।
তবে ট্রাম্প জানান, পাকিস্তান ও আরও কয়েকটি দেশের অনুরোধে তিনি এই উদ্যোগ সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে সম্মত হয়েছেন।
সূত্র: আল-জাজিরা