শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
কোরআনে হাফেজদের নেতৃত্বের আসনে দেখতে চাই: জামায়াত আমির সৌদি আরবগামী ১০৭ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৬ হাজার যাত্রী ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার: দুর্গাপূজার শুভেচ্ছাবার্তায় প্রধানমন্ত্রী ধর্ম-বর্ণের কারণে বৈষম্য নয়, সমঅধিকার নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির শ্রমিক আন্দোলনকে অধিকারভিত্তিক ধারায় এগিয়ে নিতে হবে: গোলাম পরওয়ার এআই যুগের চাহিদা মেটাতে কারিগরি শিক্ষায় জোর দিচ্ছে বাংলাদেশ : শিক্ষামন্ত্রী সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ও তার পরিবারের ৮৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ পাকিস্তানে স্কুল ভবন ধসে শিক্ষার্থী-শিক্ষকসহ নিহত ২১ সিজদায় নবীজির (সা.) অনন্য ২ দোয়া ভাঙ্গুড়ায় জামায়াতের উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন কার্যক্রম

বাশার আল-আসাদের পতন সিরিয়ায় ফিরেছে ৩ লাখের বেশি শরণার্থী

প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে উৎখাত করার পর থেকে ৩ লাখেরও বেশি শরণার্থী সিরিয়ায় ফিরে এসেছে। শুক্রবার (৭ মার্চ) জাতিসংঘ এ তথ্য জানিয়েছে।

দামেস্ক থেকে এক ভিডিও লিঙ্কের মাধ্যমে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের সেলিন স্মিট জেনেভায় সাংবাদিকদের বলেন, গত ৮ ডিসেম্বরের পর এখন পর্যন্ত তিন লাখের বেশি মানুষ ফিরে এসেছে।

বৃহস্পতিবার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান বলেছেন, আসাদকে উৎখাত করার পর তুরস্ক থেকে এক লাখ ৩৩ হাজারেরও বেশি সিরীয় নিজ দেশে ফিরেছেন।

২০১১ সালে সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তুরস্কে প্রায় ত্রিশ লাখ শরণার্থী আশ্রয় নেয়। তারা এখন দেশে ফিরে যেতে আগ্রহী।

ডিসেম্বরের শুরুতে বিদ্রোহীদের আক্রমণে বাশার আল-আসাদ ক্ষমতা ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। অবসান ঘটে কয়েক দশকের স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের।

সিরিয়ার যুদ্ধে পাঁচ লাখেরও বেশি মানুষ নিহত এবং লাখ লাখ মানুষ তাদের ঘরবাড়ি থেকে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

স্মিট বলেন, এটি বিশ্বের বৃহত্তম বাস্তুচ্যুতি সংকট হিসেবে রয়ে গেছে। যুদ্ধ থেকে পালিয়ে আসা বেশিরভাগ মানুষ তাদের বাড়িতে ফিরে যেতে আগ্রহী।

তিনি বলেন, ফিরে আসা শরণার্থীদের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত আরও নয় লাখ তাদের নিজ এলাকায় ফিরে গেছেন।তিনি আরও বলেন, উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ার শিবির ও স্থানগুলোতে বসবাসকারী প্রায় দশ লাখ অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত মানুষ আগামী বছরের মধ্যে নিজ বাড়িতে ফিরে যেতে চান।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved bijoykantho© 2025