শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
জাতীয় পার্টিকে নিয়ে নির্বাচন মানা হবে না: জুলাই মঞ্চ ক্ষমতায় গেলে জনবান্ধব দেশ গড়ে তুলবো: ডা. শফিকুর রহমান একটা পক্ষ গোলামির বাংলাদেশ বানাতে চায়: আখতার হোসেন নিরপেক্ষতা প্রমাণের দায়িত্ব এখন আইসিসির কাঁধেই: ফারুকী কিশোরগঞ্জে পেট্রোল পাম্পে আগুন লেগে দগ্ধ ৪ মানুষ এমন নেতৃত্ব নির্বাচন করবে যারা বন্ধু খুঁজবে, প্রভু নয়:জামায়াত আমির রাজধানীর ভাষানটেকে চলছে তারেক রহমানের নির্বাচনি জনসভা উত্তরবঙ্গের চেহারা বদলে দিতে পাঁচ বছরই যথেষ্ট: জামায়াত আমির সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে ভয়শূন্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে: ফখরুল জামায়াত আমিরের সমাবেশ, কানায় কানায় পূর্ণ পঞ্চগড় চিনিকল মাঠ

উত্তরবঙ্গের চেহারা বদলে দিতে পাঁচ বছরই যথেষ্ট: জামায়াত আমির

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমি আজ এখানে বক্তৃতা দিতে আসিনি, আমি সাক্ষী দিতে এসেছি। বাংলাদেশ সৃষ্টির পর থেকেই উত্তরবঙ্গকে পরিকল্পিতভাবে গরিব করে রাখা হয়েছে। এই অঞ্চল আমাদের কলিজার অংশ। অথচ ইচ্ছে করেই একে পিছিয়ে রাখা হয়েছে, অবহেলা করা হয়েছে। আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে বলছি, উত্তরবঙ্গের চেহারা বদলে দিতে পাঁচ বছরই যথেষ্ট। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করলে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে পঞ্চগড় জেলা সদরের চিনিকল মাঠে ১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াত আমির বলেন, আমরা উত্তরাঞ্চলে বেকার যুবক দেখতে চাই না। আমরা চাই প্রতিটি মানুষের হাতে মর্যাদার কাজ তুলে দিতে। প্রতিটি নাগরিকের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।

তিনি বলেন, আল্লাহ-তায়ালা দায়িত্ব দিলে আমরা প্রতিটি জেলায় বিশেষায়িত হাসপাতাল গড়ে তুলবো। পঞ্চগড়েও বিশেষায়িত হাসপাতাল গড়ে তোলা হবে। যারা ভেবেছেন এত টাকা কই পাবো; ২৮ লাখ কোটি টাকা লুট করে বিদেশে পাচার করেছে, তাদের পেটের ভেতর হাত ঢুকিয়ে সেই টাকা বের করে আনা হবে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, উত্তরবঙ্গকে আমরা শিল্পের রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। পঞ্চগড়ে বন্ধ হয়ে যাওয়া চিনিকলগুলো আবার চালু করতে চাই। আগামী দিনে আপনাদের সঙ্গে নিয়েই দায় ও দয়ার বাংলাদেশ গড়তে চাই। আমরা যুবসমাজের হাত শক্তিশালী করবো, ইনশাআল্লাহ।

তিনি বলেন, আমাদের কোনো কার্ড নেই। আপনারাই আমাদের শক্তি, আপনারাই আমাদের কার্ড। এতদিন টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত আওয়াজ উঠেছে, কিন্তু ভারসাম্য ছিল না। এবার আমরা স্লোগান দেবো তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ।

তিনি বলেন, কেউ কেউ বসন্তের কোকিল, উড়ে এসে জুড়ে বসে। কিন্তু আমরা দুঃখ-কষ্টের সময় দেশবাসীকে ফেলে কোথাও যাইনি, ভবিষ্যতেও যাবো না-ইনশাআল্লাহ।

১২ তারিখে বিজয় ছিনিয়ে আনা পর্যন্ত আমাদের কাজ অব্যাহত থাকবে। আর কোনো পুরোনো দুর্বৃত্ত যেন নতুন কোনো পোশাকে ফিরে আসতে না পারে, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে, যোগ করেন ডা. শফিকুর রহমান ।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধানসহ ১০ দলীয় নেতারা।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved bijoykantho© 2025