বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
নিজস্ব প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালাল পাকিস্তান মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়াতে পারে বাংলাদেশ: আইএমএফ অটোরিকশার চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে আলিম পরীক্ষার্থীর মৃত্যু সিরাজগঞ্জে আমির হামজা এমপির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা সংরক্ষিত নারী আসনে ৫৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র পেয়েছে ইসি চট্টগ্রাম সিটি কলেজে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু, অংশ নিচ্ছে সাড়ে ১৮ লাখ শিক্ষার্থী সরকারের সঙ্গে কি এস আলম গ্রুপের সমঝোতা হয়েছে: অর্থমন্ত্রীকে হাসনাত সরকার ৫২ দিনে ৪৪ হাজার কোটি টাকা ব্যাংক ঋণ নিয়েছে: সংসদে রুমিন ফারহানা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নোয়াবের বৈঠক

মণিপুরে ফের সহিংসতা, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চাপে প্রশাসন

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরে ফের কারফিউ জারি ও ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এক জাতিগত গোষ্ঠীর নেতাদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ায় এই পদক্ষেপ নিয়েছে প্রশাসন।

গত রোববার (৮ জুন) ‘আরামবাই তেঙ্গল’ নামের এক সশস্ত্র মেইতেই গোষ্ঠীর প্রধান অসেম কানন সিংসহ পাঁচ নেতাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা (সিবিআই) জানায়, ২০২৩ সালের সহিংসতার সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে কানন সিংকে ইম্ফল বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয়।

২০২৩ সাল থেকে মেইতেই ও কুকি—এই দুই বৃহত্তম জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে ভূমি ও আধিপত্য নিয়ে সংঘর্ষে মণিপুরে প্রায় আড়াই শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছে, বাস্তুচ্যুত হয়েছে বহু মানুষ।

‘আরামবাই তেঙ্গল’ নিজেদের সামাজিক সংগঠন দাবি করলেও রাজ্যে মেইতেই সম্প্রদায়ের মধ্যে এর যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। গ্রেফতারের পর বিক্ষোভকারীরা ইম্ফলের এক পুলিশ পোস্টে হামলা চালিয়ে একটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেয় ও বিভিন্ন সড়কে অবরোধ সৃষ্টি করে। নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় ১৩ বছরের এক কিশোর আহত হয়েছে বলে হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকার পাঁচটি জেলায় পাঁচ দিনের জন্য ইন্টারনেট ও মোবাইল ডেটা সেবা বন্ধ করে দিয়েছে এবং একটি জেলায় অনির্দিষ্টকালীন কারফিউ জারি করেছে। কিছু এলাকায় চারজনের বেশি জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

আরামবাই তেঙ্গল গোষ্ঠীও শনিবার রাত থেকে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় ১০ দিনের বন্‌ধ ডেকেছে।

এই ঘটনায় বিরোধী দল কংগ্রেসের নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী কেন্দ্রীয় সরকার ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এদিকে রাজ্যের বিজেপি ও বিরোধী দলের বিধায়কদের এক প্রতিনিধিদল রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে গ্রেফতার নেতাদের মুক্তির দাবি জানিয়েছে।

সূত্র: বিবিসি

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved bijoykantho© 2025