বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
বিদ্যুৎখাতে লুটপাট করতেই দায়মুক্তি আইন পাস করেছিল আওয়ামী লীগ: রিজভী ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্যাসিবাদে প্রবেশ করেছিল:জামায়াত আমির ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১১ জনের মৃত্যু চাঁদপুরে ৩৩ হাজার মিটার কারেন্ট জালসহ আটক ৪০ জেলে রাজবাড়ীতে ব্যবসায়ী নেতাকে লক্ষ্য করে তিন রাউন্ড গুলি বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলের নির্বাচনে রেকর্ড আসনের পথে আরব দল, হতে পারে ‘কিংমেকার’ শ্রীপুরে নেশার টাকা না পেয়ে বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ বান্দরবানে বজ্রপাতে শিশুসহ নিহত ২ লগি-বৈঠা হামলার বিচার চেয়ে চট্টগ্রামে জামায়াতের সমাবেশ বুধবার

বাজেটে গুণগত কিংবা কাঠামোগত কোনো পরিবর্তন নেই: খসরু

২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছে বিএনপি। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবতা বিবর্জিত এবং এতে গুণগত কিংবা কাঠামোগত কোনো পরিবর্তন নেই।

সোমবার (২ জুন) বিকেলে হোটেল সারিনায় বাজেট নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া তিনি একথা জানান। দলের পক্ষ থেকে আগামী ৪ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে বাজেট প্রতিক্রিয়া দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

আমীর খসরু বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আমাদের প্রত্যাশা সীমিত, কারণ তাদের একটা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে তাদের ক্ষমতার থাকার মেয়াদের ব্যবধান রয়েছে- এটা মাথায় রাখতে হবে। প্রথমত, বিগত সরকার বাজেটের আকার বাড়াতে বাড়াতে যে জায়গায় নিয়ে গেছে, সেটার সঙ্গে রাজস্ব আয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। দ্বিতীয়ত, রাজস্ব আয়ের পুরোটাই পরিচালনা ব্যয়ের মধ্যে ব্যয় হয়ে যাবে। উন্নয়ন বাজেট দেশের ভেতর বা বাইরে থেকে ঋণ নিয়ে চালাতে হচ্ছে। সরকার দেশের বাইরের থেকে ঋণ নিলে এর বোঝা বাড়তে থাকে এবং বছরের পর বছর দেশের মানুষকে এই সুদ দিতে হয়। এই কারণেই কিন্তু দেশের উন্নয়ন প্রকল্পগুলো ভুগতে থাকে। আর দেশের ভেতরের থেকে নিলে আবার বেশি ক্ষতি। কারণ দেশের ব্যাংক থেকে লোন নিলে ইন্টারেস্ট বেড়ে যায়। আবার ব্যক্তিখাতে লোনও কমে যায়। এর ফলে দেশে বিনিয়োগ হয় না, কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয় না, মানুষের আয় বৃদ্ধি পায় না। প্রাইভেট সেক্টরে লোন না পেয়ে অনেকে বিনিয়োগও করতে পারে না। আমি মনে করি, রাজস্ব আয়ের সঙ্গে বাজেটের আকারের একটা সম্পৃক্ততা থাকা উচিত ছিল। কিন্তু এটা হয়নি। রাজস্ব আয় যেটা আছে তার পুরোটাই পরিচালনা ব্যয়ের মধ্যে চলে যাবে। দেশের বাইরে ও ভেতর থেকে লোন নিতে গেলে এসব প্রভাবের কারণে অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে আমীর খসরু বলেন, বর্তমানে বৈদেশিক ঋণ ৩.৫ বিলিয়নের মতো। বিদেশি ঋণ ও রাজস্ব আয়কে মাথা রাখলে এই বাজেটের আকার আরও ছোট হওয়া উচিত ছিল। গুণগত দিক থেকে এই বাজেটে কোনো পরিবর্তন হয়নি, শুধু সংখ্যায় সামন্য পরিবর্তন হয়েছে। কাঠামো কিন্তু একই রয়েছে। আগামী দিনে সরকারের জন্য সহজ কিছু হবে না।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved bijoykantho© 2025