শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৩০ পূর্বাহ্ন
যশোরে বঁটি দিয়ে শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্কুলশিক্ষকের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় যশোর সদর উপজেলার দেয়াড়া ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আনোয়ারা বেগম (৫৮) বাজে দুর্গাপুর গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আলতাফ হোসেন মাস্টারের স্ত্রী। অভিযুক্ত ছেলে মামুনুর রশিদ ওরফে মামুন (৪০) লাউজানী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। ঘটনার পর অভিযুক্ত পলাতক।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, মামুনের এর আগে দুটি বিয়ে হয়েছিল। উভয় স্ত্রীর সঙ্গে দাম্পত্য কলহের কারণে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। মামুন তার মাকে স্ত্রীদের সঙ্গে বিচ্ছেদের জন্য দায়ী মনে করতেন। এ নিয়ে এর আগেও মায়ের সঙ্গে তার বিরোধ ও মারধরের ঘটনা ঘটে।
পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, পারিবারিক অশান্তির কারণে মামুন মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। প্রায় তিন বছর আগে তাকে পাবনা মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তিনি দুই থেকে তিন মাস চিকিৎসাধীন ছিলেন।
স্থানীয়দের দাবি, মামুন দীর্ঘদিন ধরে বাড়িতে থাকতেন না। প্রায় পাঁচ বছর পর বৃহস্পতিবার বাড়িতে আসেন। বিকেলে মায়ের সঙ্গে কথা বলার একপর্যায়ে পারিবারিক বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়।
একপর্যায়ে মামুন উত্তেজিত হয়ে ধারালো বঁটি দিয়ে মায়ের গলায় কয়েকটি কোপ দিলে শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই আনোয়ারা বেগমের মৃত্যু হয়। পরে মামুন পালিয়ে যান।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত মামুনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খান।
তিনি জানান, পারিবারিক তুচ্ছ ঘটনায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন