মঙ্গলবার, ২১ Jul ২০২৬, ০১:৫০ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করছেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী? রণক্ষেত্র দিল্লি , ভারতের ইতিহাসে ‘সবচেয়ে বড় আন্দোলনের’ ডাক সিজেপির উজানের ঢল-ভারী বৃষ্টিতে বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই তিস্তার পানি শেরপুরে পাহাড়ি ঢলে মানুষসহ ভেসে গেল সেতু শ্রীপুরে শিশু রাজিয়া হত্যা মামলার রায়, আসামির মৃত্যুদণ্ড চুয়াডাঙ্গায় শিশু মরিয়ম ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামির মৃত্যুদণ্ড যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের ব্যাপক পাল্টাপাল্টি হামলা ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম হামাসের নতুন প্রধান হলেন খলিল আল-হাইয়া সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ, বিজিবিকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করছেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী?

দিল্লির যন্তর মন্তরে তীব্র আন্দোলনের মধ্যেই ভারতের কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে নতুন মোড় দেখা দিয়েছে। দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বৈঠক করছেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের সঙ্গে। পার্লামেন্ট ভবনের ভেতরেই তাদের এই বৈঠক চলছে।

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ‘নিট’-এর প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে ভারতীয় রাজধানীতে আন্দোলন ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। আন্দোলনের তীব্রতায় অস্বস্তি বাড়ছে সরকারের উচ্চপর্যায়ে। এরই মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীর বৈঠকে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে কি আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করছেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী?

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে এই আন্দোলনের ডাক দেয় ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। যন্তর মন্তরে শুরু হওয়া এই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে দিল্লির বিভিন্ন রাস্তায়। পুলিশের লাঠিচার্জ আর জলকামান উপেক্ষা করেই রাজপথে দাঁড়িয়ে আছেন হাজার হাজার মানুষ। পুলিশের কঠোর পদক্ষেপের মুখেও পিছু হঠতে নারাজ বিক্ষোভকারীরা।

আন্দোলনের ২১তম দিনে গত ১৮ জুলাই অনশনরত অবস্থায় বিশিষ্ট অধিকারকর্মী সোনম ওয়াংচুককে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। বর্তমানে তিনি দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এর পরই আন্দোলনকারীরা ভারতের পার্লামেন্ট অভিমুখে লং মার্চের ডাক দেন।

পার্লামেন্ট ঘিরে তুমুল উত্তেজনা

সোমবার (২০ জুলাই) ভারতের পার্লামেন্টের বর্ষাকালীন অধিবেশন শুরুর দিনে লং মার্চের উদ্দেশ্যে যন্তর মন্তরে হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও অ্যাক্টিভিস্ট একত্রিত হন। আন্দোলনকারীদের পদযাত্রা রুখতে পুরো এলাকা ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলে দিল্লি পুলিশ। মোতায়েন করা হয় শত শত নিরাপত্তা কর্মী।

সকালে সেন্ট্রাল দিল্লির বিক্ষোভস্থল থেকে মিছিল নিয়ে তারা পার্লামেন্টের দিকে এগোতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। বেশকিছু স্থানে বসানো নিরাপত্তা ব্যারিকেড ভেঙে ফেলার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে তীব্র ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এতে বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী ও পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মধ্য দিল্লির বেশকিছু এলাকায় সাময়িকভাবে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশের তীব্র লাঠিচার্জের খবর পাওয়া গেলেও দিল্লি পুলিশ তা অস্বীকার করে।

এক বিবৃতিতে দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি পেশাদারত্বের সঙ্গে সামাল দেওয়া হচ্ছে। কোনো ধরনের গুজবে কান না দেওয়ার জন্য সাধারণ মানুষকে অনুরোধ জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

সূত্র: দ্য প্রিন্ট

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved bijoykantho© 2025