মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ নিয়ে কোনো আপস করবে না ইরান: ইসমাইল বাঘাই আক্রমণ হলে ‘রক্তের বন্যা’ বয়ে যাবে: যুক্তরাষ্ট্রকে কিউবার হুঁশিয়ারি যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিলো ইরান ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ২৫ থেকে ৩১ মে মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ প্রবাসীকে ৮ টুকরো করে মরদেহ ফেলে এসে ‘পার্টি’ করেন মা-মেয়ে জুলাই গ্রাফিতি মোছা নিয়ে চট্টগ্রামে এনসিপি-বিএনপি উত্তেজনা কারওয়ান বাজারে চাঁদাবাজিতে সরকারি দল জড়িত, পুলিশ মামলা নিচ্ছে না: এমপি মিলন গণতন্ত্র ও সুশাসন নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে মার্কিন প্রতিষ্ঠানের আলোচনা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে থাকছে না দলীয় প্রতীক: সিইসি স্কুল ফিডিংয়ে অনিয়মের অভিযোগ, খতিয়ে দেখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

জুলাই গ্রাফিতি মোছা নিয়ে চট্টগ্রামে এনসিপি-বিএনপি উত্তেজনা

চট্টগ্রামে জুলাই অভ্যুত্থানের স্মৃতিবিজড়িত গ্রাফিতি মুছে ফেলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও এনসিপির স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

রোববার (১৭ মে) রাতে নগরের টাইগারপাস এলাকায় দুই পক্ষের নেতাকর্মীরা পাল্টাপাল্টি স্লোগান দিলে সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তবে পুলিশি উপস্থিতির কারণে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জুলাইয়ের গ্রাফিতি মুছে ফেলার অভিযোগ তুলে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) প্রবেশমুখে বিক্ষোভ করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মহানগর শাখার নেতাকর্মীরা। এসময় তারা টাইগারপাস এলাকায় অবস্থিত চসিক কার্যালয়ের সামনে ব্যারিকেড দেন এবং সড়ক ও দেয়ালে নতুন করে বিভিন্ন স্লোগান লেখেন। কয়েকটি স্লোগানে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনকে ইঙ্গিত করা হয়।

পরে এনসিপির নেতাকর্মীরা সেখান থেকে সরে গেলে টাইগারপাস এলাকায় মিছিল বের করেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। বিষয়টি জানাজানি হলে এনসিপির চট্টগ্রাম মহানগরের সদস্যসচিব আরিফ মঈনুদ্দিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে গ্রাফিতি নষ্ট করতে লোক পাঠানোর অভিযোগ তোলেন। একই সঙ্গে তিনি নেতাকর্মীদের চসিক কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়ার আহ্বান জানান।

এরপর রাত ১১টার দিকে দুই পক্ষের নেতাকর্মীরা আবারও টাইগারপাস এলাকায় অবস্থান নেন। এসময় তারা পালটাপালটি স্লোগান দিতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে ৩০ থেকে ৪০ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।

তবে ঘটনাস্থলে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করলেও কোনো সংঘর্ষ বা অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

এদিকে রাত সোয়া ১২টার দিকে নেতাকর্মীদের নিয়ে নগরের লালখান বাজার এলাকায় যান চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। সেখানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি জুলাই অভ্যুত্থানের সময় নিজের ওপর হওয়া নির্যাতন ও হামলার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন।

মেয়র বলেন, গ্রাফিতি নিয়ে আমার অবস্থান পরিষ্কার করার পরও এনসিপির এক বিতর্কিত নেতা শহরকে অশান্ত করার চেষ্টা করছে। জুলাই বিপ্লবের সময় আমার বাসায় হামলা হয়েছে, ভাঙচুর হয়েছে, ১৬টি গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আমার সামনে মায়াকান্না করে লাভ নেই।

তিনি আরও বলেন, আর্ট কলেজের শিক্ষার্থীদের দিয়ে নান্দনিক গ্রাফিতি অঙ্কন করা হবে। চসিক এ জন্য টাকা দেবে। যদি চসিক না পারে, তাহলে আমার ব্যক্তিগত অর্থায়নে এটি বাস্তবায়ন করবো।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved bijoykantho© 2025