শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ০৪:৫৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
নামাজ না পড়লে যে গোনাহ হয়: ফারহান হাসনাত হরমুজে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলা, তেহরানেও বিস্ফোরণ রূপপুরে রাশিয়ার সহায়তায় ২৪টি পরিবেশ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন বিরোধীদল সরকারের সমালোচনা করবে, তবে হতে হবে গঠনমূলক: রিজভী ইউনিক গ্রুপের নূর আলীর বিরুদ্ধে ১১৫ কোটি টাকার মানিলন্ডারিং মামলা গাইড বইয়ের বিকল্প হবে সহযোগী বই: শিক্ষামন্ত্রী ইন্দোনেশিয়ায় আগ্নেয়গিরিতে ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাত, নিহত ৩ অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে লুটপাট, পালানোর সময় গণপিটুনিতে ডাকাত নিহত সব এলাকায় কি সমান উন্নয়ন হবে না: প্রশ্ন গোলাম পরওয়ারের গঠিত হলো নতুন ৫ উপজেলাসহ বগুড়া সিটি করপোরেশন

ইউনিক গ্রুপের নূর আলীর বিরুদ্ধে ১১৫ কোটি টাকার মানিলন্ডারিং মামলা

ইউনিক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ নূর আলী ও তার মালিকানাধীন নির্মাণ প্রতিষ্ঠান বোরাক রিয়েল এস্টেট প্রাইভেট লিমিটেডের বিরুদ্ধে ১১৫ কোটি টাকার মানিলন্ডারিংয়ের মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

রাজধানীর বনানী থানায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে করা এ মামলায় ডিএনসিসি নিয়ন্ত্রিত সরকারি জমিতে ‘বনানী সুপার মার্কেট কাম হাউজিং’ প্রকল্পে অনিয়ম, প্রতারণা ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ আনা হয়েছে। অনুমোদনহীন ওই ভবনে হোটেল ব্যবসা পরিচালনার মাধ্যমে অভিযুক্তরা অবৈধভাবে ১১৫ কোটি ৫৮ লাখ ২৪ হাজার ৭০৭ টাকা মানিলন্ডারিং করেছেন

শুক্রবার (৮ মে) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

 

তিনি বলেন, বনানী এলাকায় ১৪ তলা ভবন নির্মাণের চুক্তি থাকলেও অভিযুক্ত নির্মাণপ্রতিষ্ঠান বোরাক রিয়েল এস্টেট প্রাইভেট লিমিটেড চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে অনুমোদন ছাড়াই ২৮ তলা ভবন নির্মাণ করে। পরবর্তীতে সেখানে ফাইভ স্টার হোটেল ‘শেরাটন’ প্রতিষ্ঠা করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন না করে এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনকে (ডিএনসিসি) প্রাপ্য অংশ বুঝিয়ে না দিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রভাব খাটিয়ে চুক্তি সংশোধন করানো হয়।

অনুসন্ধানের তথ্য জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে রাজউক এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় অনাপত্তিপত্র নেওয়া হয়নি। এতে ভবনের উচ্চতা নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করায় বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণে ঝুঁকি ও প্রতিবন্ধকতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সিআইডির এ কর্মকর্তা বলেন, অনুমোদনহীন ওই ভবনে হোটেল ব্যবসা পরিচালনার মাধ্যমে অভিযুক্তরা অবৈধভাবে ১১৫ কোটি ৫৮ লাখ ২৪ হাজার ৭০৭ টাকা আয় করেছে এবং পরবর্তীতে তা হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং করা হয়েছে মর্মে প্রাথমিক অনুসন্ধানে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে।

মামলাটির তদন্ত চলাকালীন বেদখলকৃত সম্পদের প্রকৃত মূল্য নির্ধারণের পর পাচার করা অর্থের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে ।

বর্তমানে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম বিভাগ পরিচালনা করছে। অপরাধের পূর্ণাঙ্গ তথ্য উদঘাটন ও অভিযুক্তদের গ্রেফতার করার স্বার্থে সিআইডির তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved bijoykantho© 2025