বৃহস্পতিবার, ২৫ Jun ২০২৬, ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
বেইজিং পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৭ বছর পর সত্যিকারের কার্যকর সংসদ পেয়েছে দেশ: স্পিকার রাত ১টার মধ্যে ঢাকায় বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বুলেট ট্রেনে দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদে কোরআনের আয়াত নিয়ে সরকারি ও বিরোধীদলের তুমুল বিতর্ক তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, খুলে দেওয়া হয়েছে সব জলকপাট মেসিদের খেলা দেখতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন রাসেল ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্ল্যানারি সেশনে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ আমলের গুম-খুনের বিচার করুন, না হয় যাওয়ার রাস্তা খুঁজুন:জামায়াত আমির যারা সমঝোতা করছে, তাদের পরিণতি আওয়ামী লীগের মতোই হবে: নাহিদ ইসলাম

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, খুলে দেওয়া হয়েছে সব জলকপাট

উজানের পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেল ৩টায় লালমনিরহাটের হাতীবান্ধার ডালিয়া তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে নদীর পানি ৫২ দশমিক ১৬ সেন্টিমিটার রেকর্ড করা হয়, যা বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপরে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (২০ জুন) থেকে তিস্তার পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে। উজানে ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে পানির চাপ বাড়তে থাকায় ডালিয়া তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে। ফলে পানি ভাটির দিকে প্রবাহিত হচ্ছে।

তিস্তার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই, পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, গয়াবাড়ী, খালিশা চাপানি ও ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের মানুষ বন্যা শঙ্কায় রয়েছেন। পানি আরও বৃদ্ধি পেলে বসতবাড়ি, গ্রামীণ সড়ক ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

খালিশা চাপানি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহীদুজ্জামান বলেন, ‘উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টির কারণে তিস্তার পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমাদের ইউনিয়নের তিস্তা তীরবর্তী এলাকার মানুষ উদ্বিগ্ন। সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।’

বর্তমানে মাঠে উল্লেখযোগ্য কোনো মৌসুমি ফসল না থাকায় কৃষকদের বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা কম। তবে নদী তীরবর্তী এলাকার পুকুর, সবজি, গবাদিপশু ও বসতভিটা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন ধরে পলি জমে তিস্তার তলদেশ ভরাট হয়ে যাওয়ায় সামান্য পানি বৃদ্ধি পেলেই নদী ফুলে-ফেঁপে ওঠে। নিয়মিত নদীখনন ও ড্রেজিং করা হলে বন্যার ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved bijoykantho© 2025