সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন
প্রায় তিন মাস ধরে ঝুলে থাকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্তভাবে নিয়োগের সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ জনের কেউ বাদ পড়বে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
রোববার (৩ মে) বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের তৃতীয় অধিবেশন শেষে ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘তাদের (সুপারিশপ্রাপ্তরা) সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। তাদের যে কাজে নিয়োগ দেওয়া হবে, তাতে তারা যোগ্য কি না, কোনো ঘাটতি আছে কি না, সেটা দেখা হবে। শর্ত কী হবে…ধরুন, তারা তো যোগদানের পর পিটিআইতে ট্রেনিং নেবে। সেখানে যদি তারা ফেল করে, তাহলে তো আর শিক্ষক হতে পারবে না। তখন বাদ পড়বে।
তিনি বলেন, আর সরকারের বিধিতে যেটা রয়েছে যে, দুই বছরের মধ্যে যদি তারা সাকসেসফুলি চাকরি করতে পারে। তখন আমরা তাদেরকে চাকরি পারমানেন্ট করব। দেশের শিক্ষার ভালো জন্যই আমাদের সবকিছুই চিন্তা-ভাবনা। খারাপ ইন্টারেস্ট আমাদের নেই। আপনারাও তো চান সঠিক ব্যক্তিই শিক্ষার দিকে আসতে।’
কতদিন লাগবে তাদের নিয়োগপত্র পেতে- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, নিয়োগ তো হয়েই গিয়েছে। এখন আমরা প্রসিডিউর মেনটেইন করছি। সচিব আছেন দেখি কয়দিন পরে ফাইলটা কোথায় যায়। আমি বলছি অতি শিগগির হবে। তবে অতি শিগগির বলতে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তো আর পসিবল না।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, আমরা ১৪ হাজার ৩০০ জনের কাউকে বাদ দিচ্ছি না। যদিও নিয়োগটা তড়িঘড়ি করে করা হয়েছে।