বৃহস্পতিবার, ১৬ Jul ২০২৬, ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ভোটকেন্দ্রের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ ২৭ আগস্ট মালয়েশিয়ায় কোনো ইসরাইলিকে পাওয়া গেলেই বহিষ্কার: আনোয়ার ইব্রাহিম ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ মার্কিন হামলায় ইরানে ৩০ জনের বেশি বেসামরিক নাগরিক নিহত ফার্মের মুরগি পার্টি নামে ফেসবুক পেজ, দেওয়া হচ্ছে নানান বার্তা একটি বিশেষ দেশকে সুবিধা দিতে স্বৈরাচার শিক্ষা ও চিকিৎসা ধ্বংস করেছিল: সংসদে প্রধানমন্ত্রী এই সংসদ যত সুন্দর চলবে, মানুষের হতাশা তত দূর হবে: বিরোধীদলীয় নেতা পবিত্র আখেরি চাহার সোম্বা ১২ আগস্ট ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ৭ জনের মৃত্যু তিস্তার পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞায় জামায়াতের গভীর উদ্বেগ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের জন্য মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞা আরোপের নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে তিনি এই নিন্দা জানান।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে কোনো ভোটার মোবাইল ফোন নিতে পারবেন না। অথচ বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন নাগরিক জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। ভোটাধিকার প্রয়োগের মতো একটি সাংবিধানিক ও মৌলিক অধিকারের ক্ষেত্রে এ ধরনের অযৌক্তিক ও কঠোর নিষেধাজ্ঞা ভোটারদের মধ্যে ভয় ও শঙ্কা সৃষ্টি করবে, যা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পরিপন্থি।

আমরা মনে করি, এই সিদ্ধান্ত ভোটারদের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পরিবর্তে তাদের ওপর অযাচিত নিয়ন্ত্রণ আরোপের শামিল। বিশেষ করে দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় ভোটকেন্দ্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ভোটারদের সচেতনতা ও পর্যবেক্ষণের সুযোগ থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করার মাধ্যমে সেই স্বচ্ছতাকে বাধাগ্রস্ত করার আশঙ্কা রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের কাজ হলো জনগণের আস্থা অর্জন করা এবং নির্বাচনকে বিশ্বাসযোগ্য করা। কিন্তু এ ধরনের একতরফা ও প্রশ্নবিদ্ধ সিদ্ধান্ত কমিশনের নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতাকে আরও প্রশ্নবিদ্ধ করছে।’

মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে। একই সঙ্গে আমরা দাবি জানাই- ভোটারদের মৌলিক অধিকার, নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। আমরা বিশ্বাস করি, জনগণের মতামত ও অধিকারকে উপেক্ষা করে কোনো নির্বাচনই টেকসই বা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।’

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved bijoykantho© 2025