বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২৫ অপরাহ্ন

বিজিবিতে প্রশিক্ষণ শেষে ফেলানীর ভাই -চাইবো না সীমান্তে আমার বোনের মতো আর কারও বাবা-মা সন্তান হারাক

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীর রামখানা অনন্তপুর সীমান্তে ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি কিশোরী ফেলানীকে গুলি করে হত্যা করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। সেই ফেলানীর ছোট ভাই আরফান হোসেন যোগ দিলেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) নবীন সৈনিক হিসেবে।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার বাইতুল ইজ্জতে অবস্থিত বিজিবির ঐতিহ্যবাহী প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান ‘বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার অ্যান্ড কলেজের (বিজিটিসিএন্ডসি) বীর উত্তম মজিবুর রহমান প্যারেড গ্রাউন্ডে ১০৪তম রিক্রুট ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ ও শপথ গ্রহণ হয়। এই ব্যাচেই শপথ নিয়েছেন আরফান।

কুচকাওয়াজ শেষে গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমার বোনকে সীমান্তে গুলি করে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল। আমি সেই সীমন্তের রক্ষী হয়ে নবীন সৈনিক হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছি। আমি চাইবো না সীমান্তে আমার বোনের মতো আর কারও বাবা-মা সন্তান হারাক।

তিনি বলেন, আমি সীমান্ত রক্ষী বাহিনী হিসেবে সর্বদা চেষ্টা করবো সীমান্তে কারও বোন বা মা-বাবাকে এভাবে হত্যা করা না হয়।

তিনি আরও বলেন, আমার বোনকে মেরে ফেলার পর আমার এবং আমার মা-বাবার স্বপ্ন ছিল আমাকে বিজিবিতে যোগ দিতে হবে। আমি সীমান্ত রক্ষায় সর্বদা প্রস্তুত থাকবো। চার মাস প্রশিক্ষণ শেষে আজ আমি নবীন সৈনিক। আমার জীবন বিপন্ন হলেও আমি চেষ্টা করবো যেন কোনো বাবা-মায়ের সন্তানকে আমার বোনের মতো গুলি করে হত্যা করা না হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved bijoykantho© 2025