শুক্রবার, ১৭ Jul ২০২৬, ০৯:৪৭ অপরাহ্ন
যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ‘জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬’ পালন করা হয়েছে।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যায় এ উপলক্ষে হাইকমিশন মিলনায়তনে ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার ড. এম নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সব শহীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করা হয়। এরপর জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, তাদের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের ইতিহাসে গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। শহীদদের আত্মত্যাগের চেতনা ধারণ করে আইনের শাসন, ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র এবং বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
আলোচনা সভায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি) এবং জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের যুক্তরাজ্য শাখার প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন। বক্তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের আদর্শ ধারণ করে গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভাপতির বক্তব্যে ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার ড. এম নজরুল ইসলাম জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সব শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তাদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে এক অনন্য মাইলফলক হয়ে থাকবে। শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সব বাংলাদেশিকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি একটি শান্তিপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অবদান রাখার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধি, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।