মঙ্গলবার, ২৮ Jul ২০২৬, ০৯:০৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
মুন্সিগঞ্জে পৃথক দুর্ঘটনায় পানিতে ডুবে প্রাণ গেল দুইজনের নেতানিয়াহুর যুক্তরাষ্ট্র সফরের আগে ইরানের সতর্কবার্তা বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সম্পর্ক জোরদারে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে আছড়ে পড়লো বাস, প্রাণ গেল পথচারীর জিয়া উদ্যানে শ্রদ্ধা শেষে রাষ্ট্রপতি চলে যেতেই নেতাকর্মীদের হাতাহাতি চট্টগ্রামে বাবা-মাকে হত্যার দায়ে মাদকাসক্ত ছেলে গ্রেপ্তার ঠাকুরগাঁওয়ে ৫৯০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার সাবেক ২ রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ চা শিল্পের বিকাশে সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে: প্রধানমন্ত্রী ১৬ বছরে বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়েছে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার: আইনমন্ত্রী

‘দেশের জন্য জীবন দেওয়া তরুণদের আত্মত্যাগ বৃথা যাবে না’

দেশের জন্য প্রাণ দেওয়া তরুণদের আত্মত্যাগ বৃথা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, তাদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের সবার। কারণ, তরুণ প্রজন্ম যে কষ্ট ও ত্যাগ স্বীকার করেছে, এর প্রতি সম্মান রেখে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ পেয়েছি।

বুধবার বাংলাদেশ স্কাউটস রোভার অঞ্চলের আয়োজনে ইডেন মহিলা কলেজ অডিটোরিয়ামে জুলাই-আগস্ট আন্দোলন স্মরণে মাসব্যাপী কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে স্বৈরাচারবিরোধী গণঅভ্যুত্থানে নিহত ১০ তরুণ-তরুণীর পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের উদ্দেশে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, এই পরিবারগুলোর সন্তানরা ছিল গুণী ও অপার সম্ভাবনাময়। আমরা তাদের জীবনের গল্প শুনে জেনেছি, কীভাবে তারা নিজেদের জীবন গুছিয়ে নিচ্ছিল এবং দেশের জন্য নিজেকে উজাড় করে দেওয়ার প্রত্যয় নিয়েছিল। বাবা-মা কষ্ট করে সন্তানদের বড় করেছেন।

আজ সেই সন্তানরা ফ্যাসিবাদী শক্তির গুলিতে প্রাণ হারিয়েছে। কিন্তু তাদের অকাল মৃত্যুই আমাদের নতুন করে বাংলাদেশ গড়ার প্রেরণা দিচ্ছে।তিনি বলেন, করোনাকালে কিংবা ডেঙ্গু মোকাবিলায়, এমনকি ধান কাটার মৌসুমেও তরুণ স্কাউটরা সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। রক্তদান, চিকিৎসাসেবা, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে মাঠে গিয়ে কৃষকের কাজেও তারা সহায়তা করেছে।

ভিডিওতে আমরা দেখেছি, গুলির মুখে দাঁড়িয়েও এরা মানবতার কাজ করে গেছে। এরা সত্যিকারের মানবতার দূত।চৌধুরী রফিকুল আবরার বলেন, প্রতিদিন সকালে কাজের উদ্দেশ্যে বের হলে দেয়ালে লিখন আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, তরুণ প্রজন্মের চাহিদা কী ছিল। তারা কী ধরনের বাংলাদেশ চেয়েছিল। সেই বাংলাদেশ যেন আমরা সবাই মিলে গড়ে তুলতে পারি।

যারা দেশের জন্য জীবন দিয়েছে বা অঙ্গহানি স্বীকার করেছে, তাদের ত্যাগকে শ্রদ্ধা জানিয়েই আমাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved bijoykantho© 2025