শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন
ঢাকার মতিঝিলের শাপলা চত্বর থেকে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দান পর্যন্ত ১১ দলের লংমার্চে পথে কয়েকটি স্থানে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। এসব পথসভার সার্বিক আয়োজন ও ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট এলাকার ১১ দলের নেতাকর্মীরা করবেন।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টায় রাজধানীর শাপলা চত্বরে উদ্বোধনী সমাবেশ হবে। সমাবেশ শেষে সেখান থেকেই চট্টগ্রামের উদ্দেশে গাড়িবহর রওনা হবে।
কর্মসূচির সর্বশেষ প্রস্তুতি জানাতে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এসব তথ্য জানান।
লংমার্চের প্রথম পথসভা হবে নারায়ণগঞ্জ রোডের ট্রাকস্ট্যান্ড এলাকায়। এরপর কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে।
লংমার্চের যাত্রাপথে চট্টগ্রামে একটি সংক্ষিপ্ত পথসভা এবং মহিপাল এলাকায় আরেকটি পথসভার কথা জানান মিয়া গোলাম পরওয়ার।
সময় সাশ্রয়ের জন্য প্রতিটি পথসভায় ১১ দলের সব নেতাকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন মিয়া গোলাম পরওয়ার।
তিনি বলেন, একটি পথসভা চলার সময় অগ্রবর্তী একটি দল পরবর্তী পথসভাস্থলে আগে পৌঁছে যাবে। সেখানে তারা বক্তব্য দেওয়ার পর পরবর্তী স্থানের উদ্দেশে রওনা হবে। এরপর মূল গাড়িবহরের সঙ্গে থাকা শীর্ষ নেতারা সেখানে পৌঁছাবেন।
এভাবে পথসভাগুলোতে নেতাদের বক্তব্যের সুযোগ নিশ্চিত করার পাশাপাশি দীর্ঘ গাড়িবহরের যাত্রার সময়ও কমানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।
পথসভাগুলোতে জনসমাগম ও অন্যান্য আয়োজন স্থানীয় ১১ দলের নেতাকর্মীরাই করবেন। ফলে লংমার্চে অংশ নেওয়া সাধারণ নেতা-কর্মী ও প্রতিনিধিদের পথসভায় অংশ নিতে গাড়ি থেকে নামতে হবে না।
শুধু যেসব নেতার বক্তব্য দেওয়ার দায়িত্ব থাকবে, তারা গাড়ি থেকে নেমে মঞ্চে যাবেন এবং বক্তব্য শেষে আবার গাড়িতে ফিরে যাবেন।
লংমার্চ শুরু হওয়ার পর পথে কেউ বহরে যুক্ত হতে চাইলে গাড়িবহরের মাঝখানে প্রবেশ করতে পারবেন না। নতুন গাড়িগুলোকে বহরের একেবারে শেষ প্রান্তে যুক্ত হতে হবে।
যানজট বা বড় ধরনের যান্ত্রিক সমস্যা না হলে সন্ধ্যা বা মাগরিবের সময়ের মধ্যে লংমার্চের গাড়িবহর চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে পৌঁছানোর আশা করছে ১১ দল। সেখানে ১১ দলের শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।