মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
জুলাই আন্দোলনের কৃতিত্ব জনগণের, এখন দেশ পুনর্গঠনের সময়: প্রধানমন্ত্রী ঢাকা আলিয়া মাদরাসায় ছাত্রদল-শিবিরের দফায় দফায় সংঘর্ষ সায়েন্সল্যাবে ছাত্রশিবির-ছাত্রদল সংঘর্ষ, আহত একাধিক জবিতে সংঘর্ষে আহতরা শিবির কর্মীরা হাসপাতালেও হামলার শিকার, অভিযোগ ছাত্রদলের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের পরিণতি ছাত্রলীগের চেয়েও খারাপ হবে: সারজিস জকসু ভিপি-জিএসকে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দিলো ছাত্রদল গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২২, নিশ্চিহ্ন হচ্ছে বহু পরিবার পুলিশের পিকআপের ওপর ট্রাক উল্টে কনস্টেবল নিহত কুমিল্লায় উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গু, দুই দিনে আক্রান্ত ১১৫ জুলাইকে ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ:জামায়াত আমির

ছাত্রদলের পরিণতি ছাত্রলীগের চেয়েও খারাপ হবে: সারজিস

ছাত্রদলের পরিণতি ছাত্রলীগের চেয়েও খারাপ হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ মন্তব্য করেন।

স্ট্যাটাসে সারজিস লেখেন, ছাত্রদল যত তাড়াতাড়ি ছাত্রলীগ হবে, তাদের পরিণতি তত তাড়াতাড়ি ছাত্রলীগের চেয়েও খারাপ হবে।

এর আগে, আজ (মঙ্গলবার) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ইউজিসি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে একটি অনুষ্ঠান চলাকালে এ ঘটনা ঘটে।

জকসু সূত্র জানায়, ইউজিসি চেয়ারম্যানের আগমন উপলক্ষে জকসুর প্রতিনিধিরা শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের মৌলিক দাবিগুলো তুলে ধরতে শান্তিপূর্ণভাবে প্ল্যাকার্ড নিয়ে কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে প্রবেশের চেষ্টা করেন। তবে, অডিটোরিয়ামের প্রবেশমুখে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল এবং তাদের সমর্থকরা প্রক্টরিয়াল টিমের সহায়তায় তাদের বাধা দেন।

jagonews24.com

অভিযোগ রয়েছে, এক পর্যায়ে জকসু প্রতিনিধিদের হাত থেকে প্ল্যাকার্ড নিয়ে ছিঁড়ে ফেলা হয় এবং ধাক্কাধাক্কি ও হামলা চালানো হয়। এ সময় পরিস্থিতি সামাল দিতে এগিয়ে এলে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক ড. কে এ এম রিফাত হাসানও ছাত্রদল আহ্বায়কের ধাক্কাধাক্কির শিকার হন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওচিত্রে দেখা যায়।

হামলায় জকসু জিএস ও জবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আব্দুল আলিম আরিফসহ বেশ কয়েকজন জকসু প্রতিনিধি ও শিক্ষার্থী গুরুত্বর আহত হয়েছেন।

ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে জকসু জিএস আব্দুল আলিম আরিফ এক বার্তায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমন্ত্রণ জানানো সত্ত্বেও অডিটোরিয়ামে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে। প্রক্টর অফিস ও ছাত্রদলের এহেন ভূমিকা অত্যন্ত নিন্দনীয়।

অন্যদিকে, জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম ঘটনাটিকে একটি ‘ন্যাক্কারজনক হামলা’ আখ্যা দিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে এবং জকসু প্রতিনিধিদের ওপর শারীরিক হামলা চালানো হয়েছে। এই ছেঁড়া পোস্টার হাতে নিয়েই শিক্ষার্থীদের দাবি আদায় করা হবে।

ঘটনার পর পর জকসু প্রতিনিধি ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা অডিটোরিয়ামের সামনে অবস্থান নিয়ে ছেঁড়া প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি জানান। ক্যাম্পাসে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

জকসু এজিএস মাসুদ রানা বলেন, আমরা শান্তিপূর্নভাবে দাবি নিয়ে প্রতিবাদ করি। প্ল্যাকার্ড হাতে অবস্থান নেই। কিন্তু ছাত্রদল প্রথম দফায় মেহেদী হিমেলের নেতৃত্বে হামলা করে। ২য় দফায় ছাত্রদল মিছিল নিয়ে ভিসির সামনে আমাদের আক্রমণ করে। এতে আহত হন ছাত্রত্রফ্রন্ট সভাপতি, ছাত্রশক্তির সভাপতি শাহিন মিয়া ও শিবিরের সভাপতি আব্দুল আলিম আরিফ। জকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য আব্দুল্লাহ ফারুকের পা ভেঙ্গে দিয়েছে। আমরা এর বিচার চাই।

শহিন মিয়া বলেন, হামলায় অন্তত ১০ থেকে ১২ জন আহত হয়েছেন। আমাকে মুখে, নাকে, পায়ে ও হাতে লাথি মারা হয়েছে। তারা এলোপাতাড়ি মারধর করে আমাদের কয়েকজনকে আহত করেছে।

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রদলের দায়িত্বশীলদের বক্তব্যের জন্য ফোন দিলেও তাদের পাওয়া যায়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved bijoykantho© 2025