শুক্রবার, ২৪ Jul ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন

মোদির আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলো ককরোচ জনতা পার্টি

নিট (এনইইটি) পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের প্রতিবাদে চলমান অচলাবস্থা নিরসনে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে আন্দোলনকারী সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। প্রশ্ন ফাঁস সংক্রান্ত মামলার বিচারের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ‘ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট’ গঠনের ঘোষণা দিলেও বরফ গলেনি। সিজেপি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন থেকে সরবে না।

ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, আন্দোলনকারী সিজেপি নেতৃত্বের কাছে আলোচনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। তবে সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে গ্রুপটি ইঙ্গিত দিয়েছে যে দুই পক্ষের মধ্যে তৈরি হওয়া এই অচলাবস্থা এখনো কাটেনি। এর কিছুক্ষণ আগেই প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে তার প্রথম প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়ায় দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় সিজেপির প্রতিনিধি আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, সরকারের নজর কেবল অপরাধ ঘটার পরের শাস্তির দিকে, কেন বারবার এমন অনিয়ম হচ্ছে তা নিয়ে তাদের মাথাব্যথা নেই। বার্তা সংস্থা এএনআইকে রাঙ্কা বলেন, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক ব্যর্থতার কারণে পরীক্ষা ব্যবস্থা এখন অত্যন্ত নাজুক হয়ে পড়েছে। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা রুখতে সর্বোচ্চ পর্যায়ের জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।

আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন ফাঁসের পর শাস্তির কথা বলছেন, কিন্তু প্রশ্ন কেন ফাঁস হচ্ছে তা নিয়ে কেন কোনো আলোচনা নেই? নিচ থেকে ওপর পর্যন্ত অযোগ্য ও দুর্নীতিবাজদের দিয়ে সিস্টেম ভরে গেছে বলেই প্রশ্ন ফাঁস হচ্ছে, আর এই সিস্টেমের শীর্ষে আছেন শিক্ষামন্ত্রী। এরা সংঘবদ্ধ মাফিয়ার মতো প্রশ্ন ফাঁসের সিন্ডিকেট চালায়। ধর্মেন্দ্র প্রধানের মতো ব্যক্তিরা যেখানে জড়িত, সেখানে জবাবদিহি নিশ্চিত না করা পর্যন্ত প্রশ্ন ফাঁস বন্ধ হবে না। ক্ষত সৃষ্টি করার পর আপনি ব্যান্ডেজ লাগানোর কথা বলছেন, কিন্তু প্রশ্ন হলো—ক্ষতটি কেন করা হচ্ছে?’ সংগঠনটি শুরু থেকেই শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে এই ব্যর্থতার জন্য দায়ী করে তার পদত্যাগ দাবি করে আসছে।

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, আন্দোলনকারী সিজেপি নেতৃত্বের কাছে আলোচনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। তবে সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে গ্রুপটি ইঙ্গিত দিয়েছে যে দুই পক্ষের মধ্যে তৈরি হওয়া এই অচলাবস্থা এখনো কাটেনি। এর কিছুক্ষণ আগেই প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে তার প্রথম প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়ায় দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় সিজেপির প্রতিনিধি আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, সরকারের নজর কেবল অপরাধ ঘটার পরের শাস্তির দিকে, কেন বারবার এমন অনিয়ম হচ্ছে তা নিয়ে তাদের মাথাব্যথা নেই। বার্তা সংস্থা এএনআইকে রাঙ্কা বলেন, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক ব্যর্থতার কারণে পরীক্ষা ব্যবস্থা এখন অত্যন্ত নাজুক হয়ে পড়েছে। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা রুখতে সর্বোচ্চ পর্যায়ের জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।

আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন ফাঁসের পর শাস্তির কথা বলছেন, কিন্তু প্রশ্ন কেন ফাঁস হচ্ছে তা নিয়ে কেন কোনো আলোচনা নেই? নিচ থেকে ওপর পর্যন্ত অযোগ্য ও দুর্নীতিবাজদের দিয়ে সিস্টেম ভরে গেছে বলেই প্রশ্ন ফাঁস হচ্ছে, আর এই সিস্টেমের শীর্ষে আছেন শিক্ষামন্ত্রী। এরা সংঘবদ্ধ মাফিয়ার মতো প্রশ্ন ফাঁসের সিন্ডিকেট চালায়। ধর্মেন্দ্র প্রধানের মতো ব্যক্তিরা যেখানে জড়িত, সেখানে জবাবদিহি নিশ্চিত না করা পর্যন্ত প্রশ্ন ফাঁস বন্ধ হবে না। ক্ষত সৃষ্টি করার পর আপনি ব্যান্ডেজ লাগানোর কথা বলছেন, কিন্তু প্রশ্ন হলো—ক্ষতটি কেন করা হচ্ছে?’ সংগঠনটি শুরু থেকেই শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে এই ব্যর্থতার জন্য দায়ী করে তার পদত্যাগ দাবি করে আসছে।

ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করেন যে প্রশ্ন ফাঁসে জড়িতদের দ্রুত বিচার ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে সরকার ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট গঠন করবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ রক্ষা করাই সরকারের অগ্রাধিকার।

তিনি লেখেন, ‘আমাদের তরুণদের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে বড় কিছু নেই! প্রশ্ন ফাঁসে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিতে আমরা ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। যারা আমাদের তরুণদের ভবিষ্যতের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের ছাড় দেয়া হবে না।’

রাহুলের আক্রমণ

এদিকে লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধীও প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন।

তিনি অভিযোগ করেন, কেন্দ্র শিক্ষা ব্যবস্থার মর্যাদা রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে। এক্স-এ এক পোস্টে রাহুল বলেন, সরকার নিজেই পরীক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্বল করা এবং এর পেছনের হোতাদের আড়াল করার জন্য দায়ী।

তিনি লেখেন, তরুণদের ভবিষ্যতের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি আপনিই করেছেন। আপনিই আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে পুরোপুরি ধ্বংস করার সুযোগ ও উৎসাহ দিয়েছেন এবং এর জন্য দায়ীদের সুরক্ষা দিয়েছেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করেন যে প্রশ্ন ফাঁসে জড়িতদের দ্রুত বিচার ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে সরকার ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট গঠন করবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ রক্ষা করাই সরকারের অগ্রাধিকার।

তিনি লেখেন, ‘আমাদের তরুণদের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে বড় কিছু নেই! প্রশ্ন ফাঁসে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিতে আমরা ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। যারা আমাদের তরুণদের ভবিষ্যতের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের ছাড় দেয়া হবে না।’

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved bijoykantho© 2025