রবিবার, ১২ Jul ২০২৬, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন
ক্ষতিগ্রস্ত খামারি ক্যাচি প্রু মারমা বলেন, রাতভর টানা বৃষ্টিতে উজান থেকে হটাৎ নেমে আসে পাহাড়ি ঢলে স্রোত। স্রোতের পানিতে ভেসে যায় গোয়াল ঘর।
রাঙামাটি বিলাইছড়ি উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দা এলিনা তঞ্চঙ্গ্যা জানায়, কিছুই অবশিষ্ট নেই। সব বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। খাবার নেই, পানি নেই। নেই পড়ার কাপড়। শুধু আছে চার দিকে হা হা কার। সবচেয়ে বেশি কষ্টে আছে বৃদ্ধি ও ছোট বাচ্চারা। বৃষ্টির পানিতে দীর্ঘ সময় ভিজে থাকার কারণে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েছে।
একই অবস্থা বরকল ও বাঘাইছড়ি উপজেলায়ও। সীমান্তবর্তী উপজেলা বাঘাইছড়িতে অনন্ত ৩০টি গ্রাম এখন পানিবন্দী। সুবিধা বঞ্চিত মানুষগুলোর মনে দাগ কেটেছে এবারের বন্যা। সড়ক ডুবে চলাচলের এখন একমাত্র মাধ্যম নৌকা। অনেক গ্রামে তাও নেই। তাই বাঁশের ভেলা তৈরি করে পাড়াপাড় করছে স্থানীয়রা।
বাঘাইছড়ি উপজেলার স্তানীয় আসিফ আহমেদ জানায়, বাঘাইছড়ি ফসল উৎপাদের জন্য বিখ্যাত। এ অঞ্চলের সব মানুষ কৃষিনির্ভর। তাই মাইলের পর মাইল এখানে ফসলি মাঠ। বন্যার পানিতে এখন সব শেষ। ডুবে গেছে দোকান , গবাদি পশুর খামার। কিছু বাড়ি ঘর ডুবন্ত থাকলেও অনেক বাড়ি একেবারে ভেঙ্গে গেছে। সব হারিয়ে অনেক মানুষ বাধ্য হয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে দিন কাটাচ্ছে। এসব ক্ষতির সঠিক কোন সংখ্যা নেই।
অভিযোগ রয়েছে, রাঙামাটির দুর্গম ও সীমান্তবর্তি উপজেলাগুলোতে বন্যা দুর্গতদের খবর নিতে এখনো পর্যন্ত কোন চিকিৎসক দল সেখানে পৌছায়নি। পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন বেশি শিশু ও বৃদ্ধারা।