রবিবার, ১২ Jul ২০২৬, ১২:৫১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা. পাভেলকে দেখতে হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী বান্দরবানে আবারও বেড়েছে পানি, সড়ক যোগাযোগ বন্ধ বন্যায় রাঙামাটির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল মিয়ানমার পাঠ্যপুস্তকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পরিমার্জন আনা হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী ১৬ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা ভারী বর্ষণে কক্সবাজারে উদ্ধার অভিযানে আনসার-ভিডিপি কড়াইল বস্তিতে অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্নকালে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কর্মী নিহত চট্টগ্রামে বন্যাদুর্গত ও পানিবন্দি মানুষের পাশে নৌবাহিনী শেখ মুজিব স্বাধীনতার ঘোষণা কেন দেননি, জানালেন স্পিকার

পাঠ্যপুস্তকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পরিমার্জন আনা হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, এবারের পাঠ্যপুস্তকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পরিমার্জন আনা হয়েছে। তবে অল্প সময়ের মধ্যে পুরো কারিকুলাম পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। একটি আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে ধাপে ধাপে কাজ করছে সরকার।

শনিবার (১১ জুলাই) সকালে সাভারের নলাম এলাকায় গণ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সিলেবাস ও কারিকুলাম সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলো সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করছে। সরকারের লক্ষ্য হলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শিক্ষাজীবনের প্রতিটি ধাপ শেষ করা। দুই বছরের কোর্স দুই বছরেই শেষ করতে হবে এবং ১২ বছরের শিক্ষাজীবন, অর্থাৎ উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত শিক্ষায় কোনো ধরনের সেশনজট রাখা যাবে না।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় নষ্ট না করে তাদের দক্ষ ও যোগ্য করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে দেশের জনসংখ্যাগত সুবিধা (ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড) কাজে লাগানো যায়।

নতুন কারিকুলামে খেলাধুলা, পারিবারিক মূল্যবোধ, বিতর্ক চর্চা এবং ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’-এর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, শিক্ষাকে আনন্দময় করার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

ড. মিলন আরও জানান, চতুর্থ শ্রেণি থেকেই লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস, খেলাধুলা ও সংস্কৃতি চর্চা পাঠ্যক্রমে যুক্ত করা হচ্ছে। পাশাপাশি নৈতিকতা, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও আদর্শের বিষয়গুলো ধাপে ধাপে পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।

শিক্ষকদের মানোন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান বাড়ানো হচ্ছে এবং আধুনিক পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বৈষম্য প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বৃত্তি পরীক্ষার ফল ঘোষণা করা হবে এবং এবার বেসরকারি বিদ্যালয়গুলোকেও এর আওতায় আনা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে সরকারি স্কুলের জন্য ৮০ শতাংশ এবং বেসরকারি স্কুলের জন্য ২০ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সবার জন্য সমতার ভিত্তিতে শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।

অনুষ্ঠানে ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু ও গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved bijoykantho© 2025