বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়ায় প্রবাসী সমাজকর্মী মাসুম বিল্লাহর সম্মাননা অর্জন লস অ্যাঞ্জেলেসে দাবানল, হাজার হাজার বাসিন্দাকে সরে যাওয়ার নির্দেশ পশ্চিমবঙ্গে কোরবানি বন্ধের চেষ্টা হলে লাখো মানুষ নিয়ে প্রতিরোধের হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রে মসজিদে দুই কিশোরের বন্দুক হামলা, নিহত ৫ অস্ট্রেলিয়ায় স্ত্রী ও সন্তানদের হত্যার পর পুলিশে ফোন বাংলাদেশির গাইবান্ধায় পিকআপ-অটোরিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ পল্লবীতে ৮ বছরের শিশুকে গলাকেটে হত্যা, দম্পতি গ্রেফতার চিকিৎসকদের নিরাপত্তায় আইন চাইলেন ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার পতেঙ্গায় ১৭ হাজার লিটার জ্বালানি-ভোজ্যতেল জব্দ মির্জা আব্বাসকে দেখতে গেলেন জামায়াত সেক্রেটারি

পশ্চিমবঙ্গে কোরবানি বন্ধের চেষ্টা হলে লাখো মানুষ নিয়ে প্রতিরোধের হুঁশিয়ারি

পশ্চিমবঙ্গে কোরবানির ঈদে পশু জবাইয়ের ওপর রাজ্য সরকারের নতুন বিধিনিষেধ জারির তীব্র সমালোচনা করেছেন জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান ও বিধায়ক হুমায়ুন কবির। সরকার যদি কড়া প্রশাসনিক পদক্ষেপের মাধ্যমে এই নির্দেশিকা জোর করে বাস্তবায়ন করতে যায়, তবে লাখো মানুষ নিয়ে রাস্তায় নেমে তা প্রতিরোধ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সরকার পশু জবাইয়ের ওপর নতুন কঠোর বিধিনিষেধ জারি করেছে। সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, পশু চিকিৎসক ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের যৌথ শংসাপত্র ছাড়া কোনো পশু জবাই করা যাবে না। পশ্চিমবঙ্গ পশু জবাই নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৫০ কঠোরভাবে পালনের জন্য এই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

এই সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতেই ঈদুল আজহায় পশু কোরবানি নিয়ে মুখ খোলেন মুর্শিদাবাদের বাবরি মসজিদ নির্মাণের প্রধান উদ্যোক্তা হুমায়ুন কবির।

সামনে প্রকাশ্যে কোরবানি অথবা বলি দেওয়া যাবে না—এমন সরকারি নির্দেশিকার জবাবে বিধায়ক বলেন, ‘আমাদের কোরবানিকে কোনো বলি বলা হয় না, এটা ত্যাগ। রাজ্য সরকারের স্বরাষ্ট্র দপ্তর বা জনসাধারণকে নিয়ন্ত্রণ করতে যে নির্দেশিকাই বের হোক না কেন, বলির সঙ্গে কোরবানিকে যোগ করা অথবা তুলনা করা ঠিক হবে না।’

হুমায়ুন কবির আরও বলেন, ‘নির্দেশিকা বেরোলেই সেটা কার্যকর করা খুবই স্পর্শকাতর। কারণ যে কোনো ধর্মীয় ভাবাবেগে যদি কোনো সরকার আঘাত করে, তাহলে তাকে মূল্য দিতে হবে।’

পশু কোরবানি প্রকাশ্যে করার কোনো প্রয়োজন নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রকাশ্যে যদি বলির কথাই বলতে হয়, তবে বর্ধমান জেলার জামালপুরে ‘বাবার স্থান’-এ ভেড়া, ছাগলসহ অনেক কিছুর প্রকাশ্যে বলি হয়। সরকারি নির্দেশিকায় সেটার কথা বোঝানো হচ্ছে, নাকি মুসলিমদের বকরি ঈদের কোরবানিকে বোঝানো হচ্ছে—আগামী ২৮ তারিখে তার প্রমাণ হয়ে যাবে।

রাজ্য সরকার এত বড় ভুল করবে না আশাপ্রকাশ করে বিতর্কিত এই বিধায়ক বলেন, মুসলিমদের জন্য ১৪৫৬ বছর আগের থেকে যেমন নামাজ বাধ্যতামূলক, তেমনি প্রতিবছর চাঁদ উঠলে সামর্থ্যবানদের জন্য পশু কোরবানি দেওয়াও নির্দেশ বা বাধ্যতামূলক। সে জন্যই কেউ বাধা দিতে আসলে মুসলিমরা অমুসলিমদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়াতে চাইবে না।

এটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয় উল্লেখ করে হুমায়ুন কবির সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘সরকার যদি এটাকে কড়া প্রশাসনিক পদক্ষেপের মাধ্যমে জোর করে বাস্তবায়ন করতে যায়, আমি হুমায়ুন কবির এই সরকারের বিরুদ্ধে লাখো লাখো মানুষ নিয়ে রাস্তায় নেমে তা প্রতিরোধ করব।’

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved bijoykantho© 2025