রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১০ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
ইসরায়েলি বর্বরোচিত হামলায় দুই শিশুসহ ‘গর্ভবতী’ মা নিহত গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা -তুরস্কের নেতৃত্বে গাজায় আসছে ইতিহাসের ‘সর্ববৃহৎ’ নৌবহর ট্রাম্পের অনুষ্ঠানস্থলের বাইরে গুলি, হামলাকারী আটক নৈশভোজের সময় বিকট শব্দ, সরিয়ে নেওয়া হলো ট্রাম্পকে ঠাকুরগাঁওয়ে কালবৈশাখীর তাণ্ডব, বজ্রপাতে গৃহবধূর মৃত্যু গাইবান্ধায় বজ্রপাতে শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু কুড়িগ্রামে ছাত্রদল-শিবিরের সংঘর্ষ, আহত ৬ প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে বিএনপি: আখতার হোসেন ঢাকায় দেড় ঘণ্টায় ৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টি, সোমবারও থাকতে পারে আবার ভয়ের ও আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করা হচ্ছে: সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহ

ঠাকুরগাঁওয়ে কালবৈশাখীর তাণ্ডব, বজ্রপাতে গৃহবধূর মৃত্যু

পরপর দুই দিনের কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে ঠাকুরগাঁওয়ের জনপদ। ঝড়ের কবলে পড়ে বিধ্বস্ত হয়েছে ঘরবাড়ি এবং ফসলের হয়েছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি। এদিকে পীরগঞ্জে বজ্রপাতে সেলিনা আক্তার (৩৫) নামে এক গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

​রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে হঠাৎ বজ্রসহ বৃষ্টিপাত শুরু হলে উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের নিয়ামতপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সেলিনা আক্তার ওই গ্রামের রশিদুল ইসলামের স্ত্রী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃষ্টির সময় বাড়ির আঙিনায় কাজ করার সময় বজ্রপাতের আঘাতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

​শনিবার সকাল এবং গভীর রাতে দুই দফায় আঘাত হানা এই ঝড়ে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের পাইকপাড়া এলাকায় ৩৩ হাজার ভোল্টের মেইন লাইনের তার ছিঁড়ে পড়ে। এতে পুরো জেলা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

​বিদ্যুৎ না থাকায় জেলাজুড়ে তীব্র পানি সংকট দেখা দিয়েছে। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে সাধারণ যাত্রীরা। ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও ইজিরাইডগুলো চার্জ দিতে না পারায় রোববার জেলাজুড়ে পরিবহন ব্যবস্থা প্রায় অচল হয়ে পড়ে। মানুষকে মাইলের পর মাইল পায়ে হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছাতে দেখা গেছে। সন্ধ্যার আগেই জেলা শহর জনশূন্য হয়ে এক ভুতুড়ে পরিবেশে পরিণত হয়।

​ক্ষয়ক্ষতির তালিকায় শীর্ষে রয়েছে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা। কালবৈশাখীর ঝাপটায় উপজেলার রত্নাই স্কুলহাট এলাকায় অবস্থিত দবিরিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানা কমপ্লেক্সের টিনের চালা উড়িয়ে নিয়ে গেছে। পীরগঞ্জ উপজেলার বেশ কিছু মাদ্রাসাও একই পরিস্থিতির শিকার হয়েছে। এছাড়া অসংখ্য কাঁচা ও আধাপাকা ঘরবাড়ি আংশিক বা সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এবারের ঝড়ে ফসলের ওপর দিয়ে মরণকামড় বসিয়েছে প্রকৃতি।

অতিরিক্ত উপপরিচালক আলমগীর কবীর জানান, দফায় দফায় বৃষ্টি ও ঝড়ে ফসলের এই ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া কৃষকদের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক জানান, কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র নিরূপণে মাঠ পর্যায়ে কাজ চলছে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved bijoykantho© 2025