শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আজ প্রধানমন্ত্রীর ৮ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন, কে কোন দায়িত্বে বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষায় সবাইকে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি -ফের জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি পরওয়ার, চার নায়েবে আমির ফজিলতের মাস রমজান :আবদুল্লাহ নোমান গাইবান্ধায় ছিনতাইকারী সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত ২ রাতে কিশোররা অযাচিত ঘোরাঘুরি করলে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করবে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শহীদ মিনারে যাবেন জামায়াত আমির তারেক রহমানকে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা ১২টা ১ মিনিটে ভাষাশহীদদের শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আজ

আজ মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। অমর একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে মাতৃভাষা আন্দোলনের ৭৪ বছর পূর্ণ হলো আজ। দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য রাজধানীসহ সারাদেশে নেয়া হয়েছে ব্যাপক কর্মসূচি।

রাত ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে দিবসের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু হয়। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

একুশের ভোরে আজিমপুর কবরস্থানে ভাষা শহিদদের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, ফাতেহা পাঠ ও কুরআনখানির আয়োজন করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির ও অন্যান্য উপাসনালয়ে শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে।

১৯৫২ সালের এই দিনে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্রসমাজ ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে রাজপথে নেমে আসে। আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর পুলিশ গুলি চালালে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার ও শফিকসহ নাম না জানা আরও অনেকে শহিদ হন। তাদের আত্মত্যাগের ধারাবাহিকতায় বাংলা রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি লাভ করে এবং ভাষা আন্দোলন বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামের ভিত্তি রচনা করে।

১৯৯৯ সালে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (ইউনেস্কো) একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। এরপর থেকে বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হচ্ছে ভাষার বৈচিত্র্য ও মাতৃভাষার অধিকার সংরক্ষণের প্রতীক হিসেবে।

দিবসটি সরকারি ছুটির দিন। এদিন দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে।

দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরতে বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বিভিন্ন স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল ও গণমাধ্যম বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করছে। রাজধানীজুড়ে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতাসহ নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved bijoykantho© 2025