মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন
বাংলাদেশে স্বাধীনতার ৫৪ বছর পেরিয়ে গেলেও প্রকৃত অর্থে গণতন্ত্র বিকশিত হয়নি। এর অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে পরিবারতন্ত্রকে দায়ী করেছেন জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম।
তিনি বলেন, “পরিবারতন্ত্র দিয়ে কখনোই গণতন্ত্র বিকশিত হতে পারে না। আমরা পরিবারতন্ত্র নয়, চাই মেধাতন্ত্র। যার মেধা ও যোগ্যতা আছে, সেই দল পরিচালনা করবে, দেশ ও জাতির নেতৃত্ব দেবে।”
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) নীলফামারী-২ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী জামায়াত মনোনীত অ্যাডভোকেট আল ফারুক আব্দুল লতিফের পক্ষে ভোট চাইতে এসে নীলফামারী শহীদ মিনার চত্বরে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
নায়েবে আমির আরও বলেন, ক্ষমতায় গেলে জামায়াতে ইসলামী দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করবে এবং যাকাতভিত্তিক অর্থনীতি চালু করবে। তার দাবি— বাংলাদেশে বছরে প্রায় পঞ্চাশ হাজার কোটি টাকা যাকাত আদায় করা সম্ভব। এই অর্থ সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করা গেলে দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ভাগ্য পরিবর্তন করা সম্ভব হবে।
সভায় দাঁড়িপাল্লার পক্ষে ভোট প্রার্থনা করে ডাকসুর সাবেক ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, “এই দেশটা কয়েকটা পরিবারের হাতে জিম্মি হয়ে আছে। বারবার একই পরিবার ক্ষমতায় গিয়ে সাধারণ মানুষের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। নীলফামারী-২ আসনের মানুষ দীর্ঘদিন অবহেলিত। এবার পরিবর্তনের সময় এসেছে। আপনারা দাড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে পরিবারতন্ত্রের রাজনীতি থেকে বের হয়ে আসুন। সৎ, যোগ্য ও নীতিবান নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করলেই দেশের প্রকৃত পরিবর্তন সম্ভব।”
এছাড়াও সভায় বক্তব্য দেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদসহ দলের অন্যান্য কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা।