রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
২ নৌকাসহ ৭ জেলেকে ধরে নিয়ে গেল আরাকান আর্মি কাগজপত্র না পেয়ে সংসদে দুই বিল স্থগিতের দাবি বিরোধী নেতার সংরক্ষিত নারী আসনে ৪৯ জনের গেজেট প্রকাশ গণঅভ্যুত্থানের পর হত্যা-গুমে ১,৮৫৫ মামলা: আইনমন্ত্রী দেশের ৪ জেলায় বন্যার পূর্বাভাস, এক জেলায় পরিস্থিতির অবনতির শঙ্কা নির্বাচন না হওয়ার আশঙ্কায় সবকিছুতে আপস করেছি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে জামায়াত আমিরকে নিয়ে ফজলুর রহমানের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ নয়াপল্টনে বিএনপির শ্রমিক সমাবেশে লাখো মানুষের উপস্থিতির প্রত্যাশা গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নে সমাবেশ করবে জামায়াতসহ ১১ দল আজহারী-আহমাদুল্লাহর নামে বিজ্ঞাপন দিয়ে ওষুধ বিক্রি, বিচার দাবি সংসদে

নভেম্বরেই গণভোট চেয়ে ইসির কাছে প্রস্তাব জামায়াতের

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে অর্থাৎ নভেম্বর মাসে গণভোট চায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এ বিষয়ে দলটি নির্বাচন কমিশনে একটি লিখিত প্রস্তাবও দিয়েছে।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) দুপুর ১২টার পর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে বসে জামায়াতের একটি প্রতিনিধি দল। বৈঠকে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিব বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহেরের নেতৃত্বে এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন সরকার ও মতিউর রহমান আকন্দ বৈঠকে অংশ নেন।

বৈঠক শেষে আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেন, আমরা বলেছি গণভোট আলাদা হতে হবে। কারণ দুটি বিষয়। একটা হচ্ছে, আমাদের কতগুলো রিফর্মস আছে। এটা ইলেকশন যখন হোক ইলেকশন যেভাবে হোক তার বাইরে এটা জাতির জন্য একটা স্থায়ী একটা রিফর্মসের বিষয়। তো যেহেতু এটা একটা আলাদা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আলাদা গণভোটের মাধ্যমেই এটার ওপর মত গ্রহণ করা উচিত। এটা আমরা জোর দিয়েই বলেছি। এক্ষেত্রে যে প্রস্তুতি দরকার আমরা রিকোয়েস্ট করেছি যদি ন্যাশনালি সিদ্ধান্তটি হয় যেটা আলাদাভাবে হবে যেটা আমরা চাচ্ছি।

জামায়াত নভেম্বরে গণভোট চায়। আমরা অনেকগুলো দল চাচ্ছি যেটি ইন্ডিপেন্ডেন্টলি হোক কারণ হচ্ছে একসঙ্গে যদি হয় কয়েকটি সমস্যা হতে পারে। প্রথম সমস্যা হচ্ছে প্রত্যেকটি দল তখন তার জাতীয় নির্বাচনের প্রতীকে বিজয়ের জন্যই ভেরি সিরিয়াস থাকবে এবং রিফর্মস আছে। সবার মাথা কাজ করবে দুই ইলেকশন যদি কোনো জায়গায় দখল হয়ে যায় তাহলে রিফর্মসের বেলা দখল হয়ে যাবে একটার সঙ্গে আরেকটার ভাগ্য অন্যভাবে জড়িত হয়ে যাবে। কোনো কারণে ইলেকশন যদি কোনো জায়গায় স্থগিত হয়ে যায় তাহলে এটা স্থগিত হয়ে যাবে মানে কোনো রেজাল্ট আসবে না। কিন্তু দুটি একেবারে ভিন্ন ন্যাচার একটা হচ্ছে জাতীয় নির্বাচন জনপ্রতিনিধি করার জন্য আর এজন্য সবার জন্যই একটা রিফর্ম জরুরি।

তিনি আরও বলেন, যেহেতু ন্যাচার ভিন্ন আমরা স্পষ্ট সরকারকে বলেছি, কমিশনকে বলেছি। ইলেকশন কমিশনে আজ আমরা বলে আসছি যে এটা আলাদা করার জন্য।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved bijoykantho© 2025