মঙ্গলবার, ২৮ Jul ২০২৬, ০৭:২৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
মুন্সিগঞ্জে পৃথক দুর্ঘটনায় পানিতে ডুবে প্রাণ গেল দুইজনের নেতানিয়াহুর যুক্তরাষ্ট্র সফরের আগে ইরানের সতর্কবার্তা বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সম্পর্ক জোরদারে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে আছড়ে পড়লো বাস, প্রাণ গেল পথচারীর জিয়া উদ্যানে শ্রদ্ধা শেষে রাষ্ট্রপতি চলে যেতেই নেতাকর্মীদের হাতাহাতি চট্টগ্রামে বাবা-মাকে হত্যার দায়ে মাদকাসক্ত ছেলে গ্রেপ্তার ঠাকুরগাঁওয়ে ৫৯০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার সাবেক ২ রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ চা শিল্পের বিকাশে সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে: প্রধানমন্ত্রী ১৬ বছরে বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়েছে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার: আইনমন্ত্রী

মামা-চাচা ছাড়া যারা নিয়োগ পেয়েছেন, তারা দেশের সম্পদ : উপদেষ্টা আসিফ

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, মামা-চাচা বা ঘুষ ছাড়া যারা নিয়োগ পেয়েছেন তারা কোনো দলের নয়, আমাদের সম্পদ, দেশের সম্পদ। তাদের সময় এসেছে দেশকে কিছু প্রতিদান দেয়ার।

আজ শনিবার শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনের (পিডিবিএফ) নবনিযুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘বাংলাদেশের প্র্যাকটিস হচ্ছে যখন যে সরকার ক্ষমতায় থাকে তারা তাদের কাছের মানুষকে নিয়োগ দিয়ে থাকে।

আমরা চেষ্টা করছি কোনো নির্দিষ্ট দলের লোক নিয়োগ না দিয়ে বরং স্বচ্ছতার ভিত্তিতে চাকরিতে নিয়োগ দিতে। মেধাবীরা দেশের সম্পদ। কোনো স্বজনপ্রীতির অভিযোগ আমার কাছে আসেনি। কোনো মামা-চাচা বা ঘুষ ছাড়া যারা নিয়োগ পেয়েছেন তাদের সময় এসেছে দেশকে কিছু প্রতিদান দেয়ার।
উপদেষ্টা বলেন, ‘শুধু সরকারি সহযোগিতা নয়, আত্মকর্মসংস্থানে মনোযোগী হতে হবে। সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সবাই দায়িত্ব পালন করবেন। পেশাগত দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট হবেন। যে সরকার ক্ষমতায় আসে তাদের লোক নিয়োগ দেয়া হয়।

১৬ বছরে প্রতিষ্ঠানগুলো দলীয়করণ করা হয়েছে। পিডিবিএফের নিয়োগের ক্ষেত্রে আমরা কোনো দলীয়করণ করিনি। তাই যারা নিয়োগ পেয়েছে তারা কোনো দলের নয় আমাদের সম্পদ, দেশের সম্পদ। ’অরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠান থেকে বের হলে সাংবাদিকরা উপদেষ্টা আসিফকে সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved bijoykantho© 2025