বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
নিজস্ব প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালাল পাকিস্তান মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়াতে পারে বাংলাদেশ: আইএমএফ অটোরিকশার চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে আলিম পরীক্ষার্থীর মৃত্যু সিরাজগঞ্জে আমির হামজা এমপির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা সংরক্ষিত নারী আসনে ৫৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র পেয়েছে ইসি চট্টগ্রাম সিটি কলেজে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু, অংশ নিচ্ছে সাড়ে ১৮ লাখ শিক্ষার্থী সরকারের সঙ্গে কি এস আলম গ্রুপের সমঝোতা হয়েছে: অর্থমন্ত্রীকে হাসনাত সরকার ৫২ দিনে ৪৪ হাজার কোটি টাকা ব্যাংক ঋণ নিয়েছে: সংসদে রুমিন ফারহানা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নোয়াবের বৈঠক

সুদানে কলেরার প্রাদুর্ভাব, দুই দিনে ৭০ জনের মৃত্যু

সুদানের রাজধানী খার্তুমে কলেরার প্রাদুর্ভাবে দুই দিনে ৭০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। দ্রুত ছড়িয়ে পড়া এই মহামারির সঙ্গে লড়াই করছেন খার্তুমের বাসিন্দারা। সেখানে মৌলিক পরিষেবাগুলো ভেঙে পড়েছে। খবর এএফপির।

খার্তুম রাজ্যের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বুধবার ৯৪২ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে এবং ২৫ জনের মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া মঙ্গলবার আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৭৭ জন এবং ৪৫ জন মারা গেছে।

এর আগে দেশটিতে ড্রোন হামলার জন্য আধাসামরিক বাহিনী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসকে (আরএসএফ) দায়ী করে রাজধানীজুড়ে পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার কয়েক সপ্তাহ পরেই এই মহামারি পরিস্থিতি শুরু হলো।

গত সপ্তাহে সেনা-সমর্থিত সরকার ঘোষণা করেছে যে, তারা আধাসামরিক বাহিনীর হাত থেকে রাজধানীর কেন্দ্রস্থল পুনরুদ্ধারের দুই মাস পর খার্তুম রাজ্যে তাদের শেষ অবস্থান থেকে আরএসএফ যোদ্ধাদের সরিয়ে দিয়েছে।

গ্রেটার খার্তুম গত দুই বছরের বেশিরভাগ সময় যুদ্ধক্ষেত্র ছিল এবং আবাসন ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
কলেরার প্রাদুর্ভাব এরই মধ্যে চাপে থাকা স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করেছে।

মঙ্গলবার পর্যন্ত গত এক সপ্তাহে ১৭২ জনের মৃত্যুর খবর দিয়েছে ফেডারেল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে ৯০ শতাংশ মৃত্যুই হয়েছে খার্তুম রাজ্যে।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বলছে, আইসোলেশন সেন্টারে থাকা ৮৯ শতাংশ রোগী সুস্থ হয়ে উঠছেন, তবে তারা সতর্ক করে দিয়েছে যে, পরিবেশগত অবস্থার অবনতির কারণে সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে।

দেশটির সেনাবাহিনী এবং আধাসামরিক বাহিনীর মধ্যে যুদ্ধে হাজার হাজার মানুষ নিহত এবং ১ কোটি ৩০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। জাতিসংঘ একে বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ মানবিক সংকট বলে বর্ণনা করেছে। সংঘর্ষের কারণে প্রধান যুদ্ধক্ষেত্রের ৯০ শতাংশ পর্যন্ত হাসপাতাল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

টিটিএন

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved bijoykantho© 2025