শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:০৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
‘এখন যাদের হাতে জনগণ নিরাপদ নয়, তারা ক্ষমতায় গেলে দেশ আরও ঝুঁকিতে পড়বে’:জামায়াত আমির রংপুরে সভামঞ্চে তারেক রহমান জামায়াত নেতা হত্যার প্রতিবাদে শেরপুরে বিক্ষোভ ধানের শীষ জিতলে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা থাকবে: তারেক রহমান বনানীতে পাঁচতলা ভবনে অগ্নিকাণ্ড ঢাকা-৬, আসন ওয়ারীতে জামায়াতের নির্বাচনি কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ প্রয়োজনে জীবন দেবো, তবু মায়েদের সম্মানহানি হতে দেবো না: ডা. শফিকুর রহমান নির্বাচনে জোট গঠন করলেও নতুন বন্দোবস্তের লড়াই চলবে: নাহিদ ইসলাম হুট করে প্লেনে চড়ে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আমাদের নাই:তারেক রহমান শেরপুরে নিহত জামায়াত নেতা রেজাউল করিমের জানাজায় মানুষের ঢল

‘এখন যাদের হাতে জনগণ নিরাপদ নয়, তারা ক্ষমতায় গেলে দেশ আরও ঝুঁকিতে পড়বে’:জামায়াত আমির

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ক্ষমতায় যাওয়ার আগে যাদের কাছে দেশ নিরাপদ নয়, তারা ক্ষমতায় গেলে দেশ আরো ঝুঁকিতে পড়বে।

তিনি বলেন, অতীতের বস্তাপচা পরিবারতন্ত্রকে লাল কার্ড দেখাতে চাই। সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করতে চাই।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে নোয়াখালী জেলা স্কুল মাঠে নোয়াখালীর ছয়টি আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের নিয়ে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

জামায়াত আমির বলেন, শীতের দিনে মাথা গরম করবেন না, কিছু কিছু জায়গায় মা-বোনদের উপর হামলা করা হচ্ছে, আপনাদেরও মা-বোন আছে। তাদেরকে সম্মান দিলেই আপনারা সম্মানিত হবেন। তাদের অপমান করলে সহ্য করা হবে না। কিছু জায়গায় আমাদের ভাইদের হত্যা করা হচ্ছে, তাদের সতর্ক করে দিচ্ছি। যুবকের হাতে বেকার ভাতা তুলে দিতে তাদের অপমান করতে চাই না, তাদের যোগ্য কাজ তুলে দিতে চাই। ক্ষমতায় গেলে জামায়াত নারীদের বাইরে যেতে দেবে না এমন প্রোপাগাণ্ডা ছড়ানো হচ্ছে। ঘরে ও কর্মস্থলে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করব।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি এটিএম মাছুম, ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম, নোয়াখালীর ছয়টি আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীরা, জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য নায়েবে আমির মাওলানা সাঈয়েদ আহম্মদ।

জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা বোরহান উদ্দিনের সঞ্চালনায় জনসভায় জাতীয় ও স্থানীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যারা ধৈর্য ধরতে পারেন নাই, বিভিন্ন অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছেন, আল্লার কসম, ক্ষমতায় যাওয়ার আগে দেশের জনগণ যাদের হাতে নিরাপদ নয়, ক্ষমতায় যাওয়ার পর জনগণ আরো বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়বে।

তিনি বলেন, যারা দেশকে ভালোবাসার প্রমাণ দিতে পেরেছে। তাদের হাতে যদি দেশ আসে তাহলে ভালোবাসার একটা দেশ তৈরী করা সম্ভব। মানুষ বুঝতে পেরেছে। তাই সারা বাংলায় এখন বাধ ভাঙা জেয়ার শুরু হয়েছে ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে। শুধু নোয়াখালী না, সারা বাংলায় আমি যেখানে যাচ্ছি মানুষের ভালোবাসা দেখতে পাচ্ছি। বিশেষ করে জুলাই যুদ্ধ যারা করেছে সেই যুব সমাজ মুখিয়ে আছে ১৩ তারিখ থেকে নতুন একটি বাংলাদেশ দেখার জন্য। তারা বুঝতে পেরেছে জুলাই চেতনার আকাঙ্ক্ষা কাদের দ্বারা বাস্তবায়ন হবে।

তিনি আরও বলেন, দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার জন্য লড়াই শুরু হয়েছে। আমরা সরকারি কর্মচারীদের ন্যায় সঙ্গত দরদের সাথে বিবেচনায় নিয়ে পে কমিশনকে বলব যথাযত রিকমেনন্ডেশন আমাদের কাছে দেন। যাতে একটি মানুষ সরকারি চাকরি করার পরে দ্বিতীয় কোনো রুজির সন্ধান করতে না হয়। আর টেবিলের নিচে যেন হাত দিতে না হয়। এরপর যারা সততার রাস্তা ছেড়ে দিবেন, সংশোধন না হলে কঠোর ব্যবস্থা নেব।

সমাবেশে নোয়াখালী জেলা জামায়াতের আমীর ইসহাক খন্দকারের সভাপতিত্বে ১১ দলীয় দলের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved bijoykantho© 2025