বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
দেশে ফের ভূমিকম্প অনুভূত পিলখানা হত্যাকাণ্ড ইতিহাসে নজিরবিহীন ও কলঙ্কজনক: সেনাপ্রধান পিলখানা হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের দাবি জামায়াত আমিরের মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেব না: গয়েশ্বর রায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বপরিবারে ইফতারের দাওয়াত জামায়াতের পতিত ফ্যাসিবাদী শক্তিকে সুযোগ দেওয়া জাতির জন্য আত্মঘাতী: জামায়াত হঠাৎ অসুস্থ জামায়াত আমির ভারতে মুসলিম হওয়ায় ত্রাণের কম্বল পেলেন না নারী, ভিডিও ভাইরাল ৫ আগস্টের পরের মামলাগুলো ফের যাচাই-বাছাই হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লেগুনাচালক খায়রুলকে হত্যার নিন্দা ও জড়িতদের শাস্তির দাবি জামায়াতের

ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ শুরু

শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার বিচারসহ চার দফা দাবি আদায়ে চতুর্থ দিনের মতো শুরু হয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ ঘোষিত ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর শাহবাগ মোড় থেকে শুরু হয় এ কর্মসূচি। ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা ১০টি পিকআপ ভ্যানে মার্চ শুরু করেন।

‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের, রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারসহ ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা। মার্চে সাধারণ শিক্ষার্থী-জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়।

মার্চের শুরুতে আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারকে হাদি হত্যার দ্রুত বিচার করতে আহ্বান জানিয়েছি। কিন্তু সরকার এখন পর্যন্ত এমন কোনো তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করেনি যাতে আমরা বুঝতে পারি যে, এই সরকার শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যার বিচার করতে আগ্রহী।

তিনি বলেন, কাল আদালতে চার্জশিটে হাজিরের কথা রয়েছে। এই ঘটনায় ফয়সাল আর আলমগীর ছোট ব্যক্তি। টাকার বিনিময়ে তারা হত্যা করেছে। কিন্তু হত্যা করালো কে? এই হত্যার পেছনে কারা আছে? কাল নামকাওয়াস্তে একটা চার্জশিট দিলে তা বাংলাদেশের মানুষ প্রত্যাখ্যান করবে।

শাহবাগের শহীদ হাদি চত্বর থেকে শুরু হওয়া কর্মসূচিটি রাজধানীর সাইন্সল্যাব, মোহাম্মদপুর, রায়েরবাজার, মিরপুর, উত্তরা, বসুন্ধরা, বাড্ডা, রামপুরা ও যাত্রাবাড়ী এলাকা প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শাহবাগে এসে শেষ হবে বলে জানিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ।

এর আগে ইনকিলাব মঞ্চ ঘোষিত চার দফা দাবিগুলো হলো

১. খুনি, খুনের পরিকল্পনাকারী, খুনের সহায়তাকারী, পলায়নে সহযোগী, আশ্রয়দাতাসহ পুরো খুনি চক্রের ২৪ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে হবে।

২. বাংলাদেশে অবস্থানরত সব ভারতীয়র ওয়ার্ক পারমিট বাতিল করতে হবে।

৩. ভারত তার অভ্যন্তরে আশ্রয় নেওয়া সব খুনিকে ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানালে ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করতে হবে।

৪. সিভিল মিলিটারি ইন্টেলিজেন্সের মধ্যে ঘাপটি মেরে লুকিয়ে থাকা ফ্যাসিস্টের দোসরদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার ও বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved bijoykantho© 2025