রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
২ নৌকাসহ ৭ জেলেকে ধরে নিয়ে গেল আরাকান আর্মি কাগজপত্র না পেয়ে সংসদে দুই বিল স্থগিতের দাবি বিরোধী নেতার সংরক্ষিত নারী আসনে ৪৯ জনের গেজেট প্রকাশ গণঅভ্যুত্থানের পর হত্যা-গুমে ১,৮৫৫ মামলা: আইনমন্ত্রী দেশের ৪ জেলায় বন্যার পূর্বাভাস, এক জেলায় পরিস্থিতির অবনতির শঙ্কা নির্বাচন না হওয়ার আশঙ্কায় সবকিছুতে আপস করেছি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে জামায়াত আমিরকে নিয়ে ফজলুর রহমানের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ নয়াপল্টনে বিএনপির শ্রমিক সমাবেশে লাখো মানুষের উপস্থিতির প্রত্যাশা গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নে সমাবেশ করবে জামায়াতসহ ১১ দল আজহারী-আহমাদুল্লাহর নামে বিজ্ঞাপন দিয়ে ওষুধ বিক্রি, বিচার দাবি সংসদে

জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোট করলে ‘আম-ছালা দুইটাই যাবে’: ডা. তাহের

জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোট করলে ‘আম ও ছালা দুইটাই যাবে’ বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

এদিন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিব বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে ডা. তাহেরের নেতৃত্বে জামায়াতের প্রতিনিধিদলে ছিলেন এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন সরকার ও মতিউর রহমান আকন্দ।

বৈঠক শেষে ডা. তাহের সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের কেউ কেউ বলেন- গণভোট করতে গিয়ে যদি ঝামেলা হয়ে যায় তাহলে জাতীয় নির্বাচন অনিশ্চিত হয়ে যাবে। কিন্তু জাতীয় নির্বাচনের দিন যদি গণভোট হয় আর কোনো ঝামেলা হয় তাহলে আম-ছালা দুটোই যাবে।

‘আমরা মনে করি, গণভোটের মতো একটি সহজ নির্বাচন যেন আমরা এখানে এক্সপেরিমেন্ট করতে পারি। জাতীয় নির্বাচনের সময় পুলিশ কীভাবে সহযোগিতা করে সেটা এক্সপেরিমেন্টের জন্য গণভোট করা যেতে পারে।’

ডা. তাহের আরও বলেন, গণভোট তো খুব সিম্পল একটি ইলেকশন। এখানে খুব বড় ধরনের কোনো ফাইন্যান্স নেই। যে বাক্স আপনি জাতীয় নির্বাচনের জন্য কিনবেন ওই বাক্স দিয়েই গণভোট করা যাবে। শুধু বাড়তি খরচ একটি ব্যালট ও কালি। এছাড়া যারা ইনভলভ হবেন অফিসাররা বা এক্সিকিউটিভ যারা আছেন তাদের যাতায়াত ও থাকা-খাওয়ার জন্য কিছু খরচ লাগবে। এর বাইরে তো তেমন কোনো খরচ নেই।

জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, জাতীয় নির্বাচনের দিন সব দল ব্যস্ত থাকবে। সবাই জাতীয় নির্বাচনের দিকে কনসার্ন থাকবে। দেখা যাবে গ্রামের সাধারণ ভোটাররা ধানের শীষ বা দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে ওই কাগজটা (গণভোটের ব্যালট) পকেটে নিয়ে বাড়ি চলে যাচ্ছে। তাকে আরেকটা ভোট দেওয়ার জন্য কে চাপাচাপি করবে? কারণ, দলীয় কর্মী-সমর্থকেরা তখন জাতীয় নির্বাচনের ভোটের জন্য দৌড়াবে।

‘সে কারণে বলা হচ্ছে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট পৃথকভাবে করতে হবে। আলাদা যদি হয় মানুষ এটি রিটার্ন করবে এবং দেশের মানুষ সংস্কার চায়’- যোগ করেন ডা. তাহের।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved bijoykantho© 2025