বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:৫৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
১১ দলীয় জোটের সংবাদ সম্মেলনে আসছে না ইসলামী আন্দোলন অনির্দিষ্টকালের জন্য বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ স্থগিত ইনকিলাব মঞ্চ- হাদি হত্যায় প্রধান উপদেষ্টার সংশ্লিষ্টতা থাকলেও বিচার হতে হবে এনসিপির নির্বাচন পর্যবেক্ষক ও প্রশিক্ষণবিষয়ক উপ-কমিটি গঠন প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাত করতে যমুনায় তারেক রহমান নতুন জোটের নাম ‘১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য’ ইসিকে জামায়াতের হুঁশিয়ারি, একতরফা সবকিছু করলে আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করতে বাধ্য হবো ঈদুল ফিতরে আনন্দ মেলার আয়োজন করবে ডিএনসিসি ‘হ্যাঁ’ ভোটে কী পাবেন, ‘না’ ভোটে কী হারাবেন জানাবে সরকার: উপদেষ্টা রিজওয়ানা জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি ও সুরক্ষা আইনের অধ্যাদেশ অনুমোদন

জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি ও সুরক্ষা আইনের অধ্যাদেশ অনুমোদন

জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা দিতে অধ্যাদেশ অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। পরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল এ তথ্য জানান।

আইন উপদেষ্টা বলেন, আমাদের জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের প্রতি কমিটমেন্ট ছিল, নতুন বাংলাদেশ নির্মাণে আমাদের যে প্রত্যয় ছিল, কমিটমেন্ট ছিল—জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা অধ্যাদেশ উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

আগামী পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে গেজেট জারির মাধ্যমে এ অধ্যাদেশটি আইনে পরিণত করা হবে বলেও জানান তিনি।

আসিফ নজরুল বলেন, যদি কোনো ফৌজদারি মামলা হয়ে থাকে, তবে সরকার সেই মামলাগুলো প্রত্যাহার করার পদক্ষেপ নেবে। এ ছাড়া, জুলাই-আগস্ট মাসে সংগঠিত রাজনৈতিক প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে করা কর্মকাণ্ডের জন্য এখন থেকে আর নতুন কোনো মামলা করা যাবে না। ইতোমধ্যে যেসব মামলা করা হয়েছে, সেগুলো প্রত্যাহার করা হবে।

তবে, জুলাই এবং আগস্ট মাসে কেউ যদি রাজনৈতিক প্রতিরোধের নামে ব্যক্তিগত বা সংকীর্ণ স্বার্থে কোনো হত্যাকাণ্ড ঘটায়, সেই ফৌজদারি দায়-দায়িত্ব থেকে সে রেহাই পাবে না বলে জানান তিনি।

আইন উপদেষ্টা বলেন, ব্যক্তিগত স্বার্থ বা প্রতিশোধস্পৃহা থেকে লোভের বশবর্তী হয়ে কেউ যদি হত্যাকাণ্ড ঘটায়, তবে তাকে দায়মুক্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে এই আইন করা হয়নি। আইনটি করা হয়েছে কেবল ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের জন্য সংগঠিত কার্যাবলি এবং সেই প্রক্রিয়ায় যারা সম্মিলিতভাবে (কালেক্টিভলি) যুক্ত ছিলেন, তাদের দায়মুক্তি দেওয়ার জন্য।

তিনি আরও বলেন, কোন হত্যাকাণ্ডটি রাজনৈতিক প্রতিরোধের প্রক্রিয়ায় হয়েছে আর কোনটি ব্যক্তিগত ও সংকীর্ণ স্বার্থে করা হয়েছে— তা নির্ধারণের দায়িত্ব আমরা দিয়েছি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে। কোনো ভিকটিমের পরিবার যদি মনে করে যে তাদের স্বজন ব্যক্তিগত স্বার্থের কারণে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন এবং এর সঙ্গে ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের কোনো সম্পর্ক ছিল না, তবে তারা মানবাধিকার কমিশনে আবেদন করতে পারবেন।

মানবাধিকার কমিশন যদি দেখে যে এটি ব্যক্তিগত স্বার্থে করা হয়েছে, তবে তারা তদন্ত করবে এবং তদন্ত রিপোর্ট প্রদান করবে। আদালতে সেই রিপোর্ট পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনের মতোই গণ্য হবে জানান আইন উপদেষ্টা।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved bijoykantho© 2025