বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:১৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
দেশে ফের ভূমিকম্প অনুভূত পিলখানা হত্যাকাণ্ড ইতিহাসে নজিরবিহীন ও কলঙ্কজনক: সেনাপ্রধান পিলখানা হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের দাবি জামায়াত আমিরের মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেব না: গয়েশ্বর রায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বপরিবারে ইফতারের দাওয়াত জামায়াতের পতিত ফ্যাসিবাদী শক্তিকে সুযোগ দেওয়া জাতির জন্য আত্মঘাতী: জামায়াত হঠাৎ অসুস্থ জামায়াত আমির ভারতে মুসলিম হওয়ায় ত্রাণের কম্বল পেলেন না নারী, ভিডিও ভাইরাল ৫ আগস্টের পরের মামলাগুলো ফের যাচাই-বাছাই হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লেগুনাচালক খায়রুলকে হত্যার নিন্দা ও জড়িতদের শাস্তির দাবি জামায়াতের

মোসাব্বির হত্যাকাণ্ডের যে কারণ জানালো ডিবি

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আজিজুর রহমান মোসাব্বিরকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় প্রাথমিকভাবে কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

রোববার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও বিভিন্ন আলামত যাচাই-বাছাই শেষে ডিবি পুলিশ আসামিদের শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে। এরপর ঢাকা, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর ও কিশোরগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলায় গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক টিম অভিযান পরিচালনা করে।

এসব অভিযানের ধারাবাহিকতায় হত্যাকাণ্ডে জড়িত দুই শুটারের মধ্যে একজনসহ মোট চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অতিরিক্ত কমিশনার জানান, হত্যায় অংশ নেওয়া দুই শুটারের একজনের নাম জিনাত, তার বাবার নাম আব্দুর রশিদ। হত্যাকাণ্ডের মূল সমন্বয়কারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বিল্লাল হোসেনকে, যার বাবার নাম শহিদুল্লাহ। এছাড়া শহিদুল্লাহর ভাই আব্দুল কাদের ঘটনার পর আসামিদের পালাতে সহায়তা করেন এবং তাদের মোবাইল ফোন পরিবর্তনে সহায়তা করেন বলে জানা গেছে।

তিনি আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের আগে আসামিরা ঘটনাস্থলে রেকি করেছিল। এই কাজে সহায়তা করে রিয়াজ নামে একজন, তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুটার জিনাত ও বিল্লাল রাজধানীর মহাখালী এলাকায় বসবাস করতেন। তাদের কাছ থেকে নম্বরপ্লেটবিহীন একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে, যা হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছিল।

হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে ডিবির এই কর্মকর্তা বলেন, প্রাথমিক তদন্তে হত্যার পেছনে কোনো রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড পাওয়া যায়নি।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কারওয়ান বাজারকেন্দ্রিক একটি ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব থেকেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। তবে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ ও অধিকতর তদন্তের স্বার্থে এই মুহূর্তে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব নয় বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, আপন দুই ভাই ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছে এবং আরেক ভাই সরাসরি এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ ও বিস্তৃত তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved bijoykantho© 2025