রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
পূর্বাচলে ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই বন্ধু নিহত আসামে ১১০০ মুসলিম পরিবারের বাড়িঘর ও ১০টি মসজিদ উচ্ছেদ ভারতের প্রধান ব্যাংক স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ায় সাইবার হামলা ইতালিতে একের পর এক ১২টি ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারি পিএসসি সদস্যদের চায়ের দাওয়াত দিয়ে পদত্যাগে বাধ্য করা হচ্ছে: হামিদুর রহমান আযাদ আইনশৃঙ্খলার অবনতি ও দ্রব‍্যমূল্য বৃদ্ধিতে জনগণ অসহায়বোধ করছে:নাহিদ ইসলাম বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান: রাষ্ট্রপতি সিরাজগঞ্জে আগুনে পুড়ল ৮ দোকান, ক্ষতি অর্ধকোটি টাকা বোরহানউদ্দিনে পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল দুই শিশুর হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু

মোসাব্বির হত্যাকাণ্ডের যে কারণ জানালো ডিবি

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আজিজুর রহমান মোসাব্বিরকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় প্রাথমিকভাবে কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

রোববার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও বিভিন্ন আলামত যাচাই-বাছাই শেষে ডিবি পুলিশ আসামিদের শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে। এরপর ঢাকা, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর ও কিশোরগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলায় গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক টিম অভিযান পরিচালনা করে।

এসব অভিযানের ধারাবাহিকতায় হত্যাকাণ্ডে জড়িত দুই শুটারের মধ্যে একজনসহ মোট চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অতিরিক্ত কমিশনার জানান, হত্যায় অংশ নেওয়া দুই শুটারের একজনের নাম জিনাত, তার বাবার নাম আব্দুর রশিদ। হত্যাকাণ্ডের মূল সমন্বয়কারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বিল্লাল হোসেনকে, যার বাবার নাম শহিদুল্লাহ। এছাড়া শহিদুল্লাহর ভাই আব্দুল কাদের ঘটনার পর আসামিদের পালাতে সহায়তা করেন এবং তাদের মোবাইল ফোন পরিবর্তনে সহায়তা করেন বলে জানা গেছে।

তিনি আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের আগে আসামিরা ঘটনাস্থলে রেকি করেছিল। এই কাজে সহায়তা করে রিয়াজ নামে একজন, তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুটার জিনাত ও বিল্লাল রাজধানীর মহাখালী এলাকায় বসবাস করতেন। তাদের কাছ থেকে নম্বরপ্লেটবিহীন একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে, যা হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছিল।

হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে ডিবির এই কর্মকর্তা বলেন, প্রাথমিক তদন্তে হত্যার পেছনে কোনো রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড পাওয়া যায়নি।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কারওয়ান বাজারকেন্দ্রিক একটি ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব থেকেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। তবে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ ও অধিকতর তদন্তের স্বার্থে এই মুহূর্তে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব নয় বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, আপন দুই ভাই ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছে এবং আরেক ভাই সরাসরি এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ ও বিস্তৃত তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved bijoykantho© 2025