রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ১০:৫১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
২ নৌকাসহ ৭ জেলেকে ধরে নিয়ে গেল আরাকান আর্মি কাগজপত্র না পেয়ে সংসদে দুই বিল স্থগিতের দাবি বিরোধী নেতার সংরক্ষিত নারী আসনে ৪৯ জনের গেজেট প্রকাশ গণঅভ্যুত্থানের পর হত্যা-গুমে ১,৮৫৫ মামলা: আইনমন্ত্রী দেশের ৪ জেলায় বন্যার পূর্বাভাস, এক জেলায় পরিস্থিতির অবনতির শঙ্কা নির্বাচন না হওয়ার আশঙ্কায় সবকিছুতে আপস করেছি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে জামায়াত আমিরকে নিয়ে ফজলুর রহমানের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ নয়াপল্টনে বিএনপির শ্রমিক সমাবেশে লাখো মানুষের উপস্থিতির প্রত্যাশা গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নে সমাবেশ করবে জামায়াতসহ ১১ দল আজহারী-আহমাদুল্লাহর নামে বিজ্ঞাপন দিয়ে ওষুধ বিক্রি, বিচার দাবি সংসদে

ইমপোর্ট কুরিয়ার সেকশন থেকে আগুনের সূত্রপাত, ধারণা বেবিচকের

বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক বলেছেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আমদানি কার্গো শাখায় লাগা ভয়াবহ আগুনের সূত্রপাত ইমপোর্ট কুরিয়ার সেকশন থেকে হতে পারে বলে আমাদের ধারণা। তবে বিষয়টি তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সকালে কুর্মিটোলায় বেবিচক সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই ধারণার কথা জানান।

মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক বলেন, ১৮ অক্টোবর আনুমানিক দুপুর ২টা ১৫ মিনিটের দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমপোর্ট কার্গো টার্মিনালে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।

প্রথমে আমরা টাওয়ার থেকে ধোঁয়া দেখতে পাই। সঙ্গে সঙ্গে আমাদের অভ্যন্তরীণ ফায়ার সার্ভিসসহ আমরা ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। ধারণা করা হচ্ছে, আগুনের সূত্রপাত হয় ইমপোর্ট কুরিয়ার সেকশন থেকে। আগুনটা খুবই ভয়াবহ ছিল।
তারপর আল্লাহর কাছে শুকরিয়া কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।তিনি বলেন, আমাদের সবার প্রচেষ্টা ছিল আগুন যাতে ইমপোর্ট কার্গো টার্মিনালের বাইরে না যায়। কারণ এর উত্তর পাশে বিমানের মেইনটেনেন্সের হ্যাঙার ছিল, দক্ষিণ পাশে আমাদের মূল টার্মিনাল বিল্ডিং ছিল। সেখানে আগুন ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতো।

 বেবিচক চেয়ারম্যান বলেন, আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে ৩০ সেকেন্ডের ভেতর আমাদের নিজস্ব ফায়ার ফাইটাররা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পাশাপাশি আমরা ঢাকা শহরের অন্যান্য ফায়ার স্টেশনগুলো থেকে সহযোগিতা চাওয়া শুরু করি। ২০ মিনিটের মধ্যে বিমান বাহিনীর দুটি ঘাঁটি থেকে চারটি আগুন নেভানোর গাড়ি আসে।

পরে নৌ-বাহিনী থেকেও একটি আগুন নেভানোর গাড়ি পাঠানো হয়। সেনাবাহিনী বাইরে ক্রাউড কন্ট্রোলের দায়িত্ব পালন করেছে।

পুলিশ বাহিনীও বাইরে অনেক সাপোর্ট দিয়েছে। সব মিলিয়ে ৪০টি বেশি ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি এই আগুন নির্বাপণে কাজ করে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved bijoykantho© 2025