বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স, শহরে শহরে ‘কারফিউ’ জারি অস্ট্রেলিয়ায় নারী এমপিকে গাড়িচাপা, বিচ্ছিন্ন এক পা দেশবাসী অপেক্ষা করছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কবে পদত্যাগ করবেন: নাহিদ ইসলাম ‘ইশরাকের হাতে অস্ত্রটা না থাকলে ভালো হতো, কাজকে নেগেটিভ বলার সুযোগ নেই’:জামায়াত আমির ভূরুঙ্গামারীতে বিকাশ-রকেট ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে টাকা ও ৫ মোবাইল ছিনতাই নাটোরে বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ১৪ সংঘাত ফের শুরু হলে আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নেবে: ইরান যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি শিশুকে স্পেসএক্সের শেয়ার উপহার দেবেন ইলন মাস্ক টাঙ্গাইলে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সুপারভাইজারসহ নিহত দুই চাঁদা তুলতে যাইনি, মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গেছি: ইশরাক

মহীউদ্দীন খান আলমগীরের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এবং তার স্ত্রী সিতারা আলমগীরের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার দুদক প্রধান কার্যালয়ে এক নিয়মিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান দুদক মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।

আজ দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ বাদী হয়ে সংস্থাটির সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১-এ মামলাটি দায়ের করেন।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আসামি ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর (৮৩) ও তার স্ত্রী সিতারা আলমগীর (৮০) ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অবৈধ অর্থের প্রকৃতি, উৎস, অবস্থান, মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ গোপন করার উদ্দেশ্যে একাধিক ব্যাংক হিসাবে অর্থ স্থানান্তর ও রূপান্তর করেছেন।

দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায়, ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত সময়ের মধ্যে আসামিদ্বয়ের নামে ও স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন হিসাবে মোট বাংলাদেশি ২১৬ কোটি ১ লাখ ৬৩ হাজার ৪৯ টাকা এবং ৬ হাজার ১৮৮ মার্কিন ডলার জমা হয়। পরবর্তীতে উক্ত সময়ের মধ্যে তা উত্তোলন করা হয়।

এজাহারে আরও বলা হয়, এসব অর্থ মাহবুবুল হক চিশতি, রাশেদুল হক চিশতি, মোহাম্মদ গোলাম রসুল ও মীর আল আমিনের নামীয় বা মালিকানাধীন বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে জমা ও স্থানান্তরিত হয়। কিন্তু আসামিরা এবং উল্লিখিত ব্যক্তিদের মধ্যে কোনো ব্যবসায়িক সম্পর্ক বা বৈধ আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

দুদক মনে করে, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থকে বৈধতার ছদ্মাবরণ দিতে এক হিসাব থেকে অন্য হিসাবে স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং সংঘটিত হয়েছে, যা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved bijoykantho© 2025